TRENDING:

Mukul Roy: এই গ্রামেই ছিল তাঁর পৈতৃক ভিটে, মুকুল রায়ের প্রয়াণে কাঁদছে ভাজনঘাট গ্রামের প্রতিটা মানুষ

Last Updated:

মুকুল রায়ের প্রয়াণে কাঁদছে গোটা বাংলার রানীতিক মহল-সহ সাধারণ মানুষ। কাঁদছে বাংলার সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাজনঘাটও। এই গ্রামেই রয়েছে মুকুল রায়ের পৈতৃক ভিটে। সেই বাড়িতে আজও সকাল-সন্ধ্যা ধূপ-ধুনো জ্বলে

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কৃষ্ণগঞ্জ, নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাজনঘাট। ইতিহাসপ্রসিদ্ধ এই গ্রামে মুকুল রায়ের মৃত্যুসংবাদ পৌঁছাতেই নেমে এল শোকের ছায়া। এই গ্রামেই রয়েছে তাঁর পৈত্রিক ভিটে, যেখানে আজও জেগে অতীতের বহু স্মৃতি। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুকুল রায়ের বাবা যুগল রায় ছিলেন ভাজনঘাটের স্থায়ী বাসিন্দা। সেখান থেকেই পড়াশোনা শেষ করে তিনি রেলে চাকরি পান। কর্মসূত্রে বাইরে থাকলেও পৈত্রিক বাড়ির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল অটুট। বিশেষ করে আম-জামের মরশুমে মুকুল রায় বাবার সঙ্গে গ্রামে আসতেন। পাড়া-প্রতিবেশীদের সঙ্গে সময় কাটাতেন, খোঁজখবর নিতেন সকলের।
advertisement

বর্তমানে বাড়িটি দেখভাল করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত ধূপ-ধুনো জ্বালানো হয়। বঙ্গ রাজনীতির ‘চাণক্য’র মৃত্যুসংবাদ পেতেই ভেঙে পড়েন প্রতিবেশীরা। পরিবারের ঘনিষ্ঠ শঙ্কর  ভট্টাচার্য বলেন, ” মুকুলবাবু যত বড় নেতাই হন না কেন, গ্রামের প্রতি তাঁর টান কখনও কমেনি।”

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
কৃষিজমিতে সেচের ক্ষেত্রে আর লাগবে না কর! কৃষকদের জন্য খুশির খবর
আরও দেখুন

বাড়ির দেখভালের দায়িত্বে থাকা সদানন্দ হালদারও শোকপ্রকাশ করেন। তিনি বাড়ির বিভিন্ন অংশ ও ব্যবহৃত সামগ্রী দেখিয়ে জানান, ” এই বাড়ির প্রতিটি কোণায় ওঁর স্মৃতি।” ভাজনঘাটের মানুষের কাছে মুকুল রায় শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, তিনি ছিলেন গ্রামের সন্তান। তাঁর প্রয়াণে কাঁদছে সীমান্তবর্তী এই গ্রাম।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Mukul Roy: এই গ্রামেই ছিল তাঁর পৈতৃক ভিটে, মুকুল রায়ের প্রয়াণে কাঁদছে ভাজনঘাট গ্রামের প্রতিটা মানুষ
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল