সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”সিঙ্গুর আমার ফেভারিট জায়গা। ২০০৬-২০০৮ থেকে এখানে কাটিয়েছি। রাস্তায় কাটিয়েছি। বাড়ি থেকে কেউ মুড়ি, নারকেল নাড়ু, সবজি নিয়ে এসেছে, যারা ওখানে ধর্ণা দিত, তাদের জন্য। ২৬ দিন অনশন করেছি সিঙ্গুরের জন্য। যারা এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, আমি তাদের সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। আপনারা আমাদের প্রেরণা।”
মমতার সংযোজন, ”এই সিঙ্গুরে আজও মানুষ টাকা পায়। যারা জমি হারিয়েছিল। খাদ্যসাথী পায়। ট্রমা কেয়ার সেন্টার হয়েছে। এখানে অ্যাগ্রো ইন্ড্রাস্ট্রি পার্ক করছে। ২৮ প্লটের মধ্যে ২৫ প্লট কাজ হয়ে গেছে। এছাড়া ওয়্যার হাউজ হচ্ছে। সেখানেও কর্মসংস্থান হবে হাজার হাজার।” মোদির নামোল্লেখ না করে তিনি বলেন, ”এখানে এসে একজন বলে গেলেন, তার চেয়ারকে বলছি না। তাকে বলছি। বলে গেল বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষার সম্মান দিয়েছে। আমি বাংলায় ৫ বস্তা বই পাঠিয়েছিলাম। সব ভাষাকে দিয়েছিলেন। বাংলাকে দেননি। বাংলা ভাষায় কথা বললে বিহার, ইউপি, রাজস্থানে মারেন।”
advertisement
মমতা বলেন, ”গণতান্ত্রিক উপায়ে কেউ না কেউ বিরোধী থাকবে। সেটাই গণতন্ত্র। পছন্দ না হলেও। তা বলে এজেন্সি দেখাবেন। আমি এমনিতে চুপ থাকি। কিন্তু আমাকে রাগালে আমি টর্নেডো, কালবৈশাখী হয়ে যাই। আম গাছে আমড়া হয় না। বাংলা ভাষায় কথা বললে মারবেন আর বাংলা দখল করবেন?”
