তাঁর স্বীকারোক্তি, যে সমস্ত তথ্য চেয়ে ছিল কমিশন তার সবটা জমা করতে না পারার জন্যই হয়তো নাম বাদ পড়েছে। একই সঙ্গে এস আই আর নিয়ে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে পলেনের দাবি যারা এস আই আর নিয়ে বিজেপির কমিশনকে ব্যবহারের প্রশ্ন তুলছে তার নাম কাটা পড়ার ঘটনা প্রমান করে এই অভিযোগ সঠিক নয়।
advertisement
আরও পড়ুন: খামেনেইয়ের মৃত্যু, ইরানে এবার ক্ষমতায় আমেরিকার প্রিয়পাত্র? কে এই রেজা পহেলভি? পরিচয়েই বিরাট চমক
প্রসঙ্গত, এস আই আর তালিকা থেকে বাদ পড়েছে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি এলাকার বিডিও প্রসেনজিৎ কুণ্ডুর নামও৷ ঘটনায় বিষ্মিত প্রশাসনিক মহল।আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ কুন্ডু। তিনি আলিপুরদুয়ার বিধানসভার ভোটার।
দীর্ঘ প্রায় দু’বছর ধরে ময়নাগুড়িতে ব্লক ডেভলপমেন্ট অফিসার পদে কর্তব্যরত। এসআইআর প্রক্রিয়ায় এইআরওর দায়িত্বেও রয়েছেন। তার পরেও নিজের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় নিজেই বিষ্মিত। যদিও এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
প্রসঙ্গত, এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর জানা যায়, বাঁকুড়া জেলায় মোট বাদ গিয়েছে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ভোটারের নাম। খসরা তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিল ১ লক্ষ ৩২ হাজার ভোটারের নাম। শুনানির পরে মুছে দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ভোটারের নাম। অর্থাৎ প্রায় ১,৩৫,০০০ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। আলিপুরদুয়ারে বাদ গিয়েছে মোট ১১ হাজার ৬৯২ জন ভোটারের নাম। ঝাড়গ্রামে বাদ গিয়েছে ৫৪ হাজার ৩০ জনের নাম। নদিয়া জেলায় বাদ- ২ লক্ষ ৭১ হাজার, খসরা থেকে বাদ ২,১৬,০০০, সঙ্গে পরে বাদ ৫৫হাজার। দার্জিলিং জেলা মোট বাদ গেল ২৩,১৭৯ জনের নাম, বিচারাধীন রয়েছে ৮০ হাজার ৩ জন এবং মোট ভোটার হল ১০ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২০ জন।
পূর্ব বর্ধমান থেকে বাদ গিয়েছে প্রায় ১৭, ০০০ ভোটারের নাম। পশ্চিম বর্ধমানে ডিলিটেডে রয়েছে ১৮ হাজার ভোটারের নাম, যদিও এই জেলায় ১ লাখ ভোটারের নাম বিচারাধীন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৫০ হাজার ভোটারের নাম ডিলিটেড তালিকায়, বিচারাধীন ৫ লক্ষ ১৭ হাজার ভোটার। পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রায় ১৮ হাজার ভোটারের নাম ডিলিটেড তালিকায়, ১ লক্ষ নাম বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সারা রাজ্য জুড়ে মোট ৭ লাখ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে, ডিলিটেড ক্যাটাগরিতে। এই তালিকার মধ্যে খসরা তালিকা অন্তর্ভুক্ত নয়।
