দিন কয়েক আগে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একাধিক বার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। দফায় দফায় সিকিমের বিভিন্ন অংশে ভূমিকম্প হয়েছে। সে সময় ১৩ বার ভূমিকম্প হয়। সে সময় ভূমিকম্পের উৎসস্থল রাবাংলা থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ফের ভূমিকম্প হয় পশ্চিমবঙ্গের উত্তরের ওই ছোট্ট রাজ্যে। রিখটার স্কেলে মাত্রা ৪.৬।
৬ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতেও ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে দার্জিলিং৷ কম্পন অনুভূত হয়েছে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়৷ তবে এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমে৷ ফলে গ্যাংটক, পেলিংয়ের মতো সিকিমের বিস্তীর্ণ অংশে কম্পনের তীব্রতা ছিল তুলনামূলক ভাবে বেশি৷ ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি-র তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল সিকিমের গ্যালশিং-এ ভূপৃষ্ঠ থেকে দশ কিলোমিটার গভীরে৷ রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৪.৫৷ যদিও খুব অল্প সময়ের জন্যই এই কম্পন অনুভব করা গিয়েছে৷
advertisement
এই ভূমিকম্প অনেকেই টের পাননি৷ তবে ভূমিকম্পের খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে৷ ঢাকা-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বুধবার রাতে ভূকম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলের এর মাত্রা ছিল ৫.১। তাৎক্ষণিকভাবে এতে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রের খবর, মায়ানমারে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। এদিন রাত ১০টা ৫১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে এই ভূমিকম্প হয়।
