TRENDING:

Assembly Bengal Election 2026: পুজোর মন্দার সময়ে ভোট উৎসবই ভরসা, সভা-মিছিলে ঢাক বাজিয়ে বাড়ছে ঢাকিদের রোজগার

Last Updated:

Assembly Bengal Election 2026: পুজো না থাকায় চৈত্রে ঢাকিদের কাজ কমে যায়। তবে ভোটের মরশুমে মিছিল ও সভায় ঢাকের চাহিদা বেড়েছে। ফলে এই সময়ে তাদের আয় কিছুটা বাড়ছে। সাময়িক হলেও এই বাড়তি রোজগার ঢাকিদের ও সংশ্লিষ্ট শিল্পীদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: পুজোর জন্য নয় বরং এই কাজের জন্য ডাক পড়ছে ঢাকিদের! চৈত্র মাসের খরার মরশুমে যখন পুজো-পার্বণের সংখ্যা কমে যায়, তখন সাধারণত ঢাকিদের রোজগারও অনেকটাই কমে আসে। তবে এখন ও বাঙালির উৎসব খানিক কম থাকলেও জোরকদমে চলছে ভোটের উৎসব পর্ব। রাজ্যে ভোটের আবহ শুরু হতেই যেন ঢাকের তাল আবার ফিরে এসেছে রাস্তায়।সেখানেই ডাক পড়ছে ঢাকিদের। চড়ক পুজো আর বাসন্তী পুজো ছাড়া তেমন বড় কোনও উৎসব এই মরশুমে না থাকায় বছরের এই সময়টা ঢাকিদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে ওঠে। অনেকেই বাধ্য হয়ে অন্য পেশায় জড়িয়ে পড়েন।তবে বর্তমানে পরিস্থিতিটা কিছুটা বদলেছে।
advertisement

ভোটের মরশুম শুরু হওয়ায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সভা, মিছিল ও মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার কর্মসূচিতে ঢাকের ব্যবহার বেড়েছে। ফলে এই সময়ে ঢাকিদের ডাক পড়ছে বেশি, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে তাদের উপার্জনও। চৈত্রের প্রখর রোদ উপেক্ষা করেও তাই তাদের মুখে এখন চওড়া হাসি। শুধু ঢাকিরাই নন, তাঁদের সঙ্গে যুক্ত আদিবাসী নৃত্যশিল্পী ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক শিল্পীরাও এই সুযোগে কিছুটা আয় করতে পারছেন।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
ভোটের ট্রেনিং সেন্টারে পচা খাবার দেওয়ার অভিযোগ! কর্মীরা খাবার ফেলে দিলেন সব
আরও দেখুন

পাশাপাশি ব্যান্ড পার্টির সদস্যদেরও কাজ বেড়েছে এই সময়ে। সব মিলিয়ে বলা যায়, বছরের যে সময়টা সাধারণত মন্দার থাকে, সেই সময়েই ভোট উৎসব ঢাকিদের জীবনে সাময়িক স্বস্তি এনে দিয়েছে।যদিও এই সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়, তবুও এই কয়েকটা দিনের বাড়তি আয়ই অনেক পরিবারের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/জলপাইগুড়ি/
Assembly Bengal Election 2026: পুজোর মন্দার সময়ে ভোট উৎসবই ভরসা, সভা-মিছিলে ঢাক বাজিয়ে বাড়ছে ঢাকিদের রোজগার
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল