ধূসর লাঙ্গুরকে আইইউসিএন লাল তালিকায়ভুক্ত করেছে। এটি বর্তমানে খুব কম দেখা যায়। ধূসর লাঙ্গুরের আবাসস্থলের হিমালয়ের পাদদেশের এলাকাগুলিতে।জলদাপাড়া সংলগ্ন টোটোপাড়া, লঙ্কাপাড়া এলাকাগুলি হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত। মনে করা হচ্ছে এই এলাকাগুলি থেকে এসেছে এই লাঙ্গুরটি। নতুন প্রাণী দেখতে পেয়ে মুঠোফোনে তা বন্দী করেন পর্যটকরা। পরবর্তীতে বন অধিকারিকদের পাঠানো হয় ছবিটি। পরবর্তীতে বনকর্মীরা জানান সেটি একটি লাঙ্গুর।
advertisement
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের এডিএফও নবীকান্ত ঝাঁ জানান, “এই ধরণের প্রাণী জলদাপাড়ায় প্রথমবার দেখা গেল। আরও লাঙ্গুর আছে কী না তা দেখা হচ্ছে।” ধূসর লাঙ্গুর স্থলজ এবং বৃক্ষজ উভয়ই। এর প্রাকৃতিক আবাসস্থল হল উপ-ক্রান্তীয় বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় শুষ্ক বন এবং উপ-ক্রান্তীয় বা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় শুষ্ক ঝোপঝাড়। তবে এরা হিংস্র নয় বলে জানা যায়। ফলমূল খেয়েই এরা জীবনধারণ করে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই বানরটি ধূসর রঙের হয়। কোনও কোনও সময় রূপালী রঙের। এদের হাত ও পা কালো এবং গাছের ডালে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য এদের লম্বা লেজ থাকে। এই লাঙ্গুর জাতীয় প্রাণীরা দলে থাকতে ভালবাসে। দলটিতে সাধারণত মহিলা লাঙ্গুরের সংখ্যা বেশি থাকে। বন দফতরের তরফে আশেপাশের এলাকাবাসীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কারণ এরা যে কোনও বাড়িতে যখন তখন হামলা চালায় দলে।





