রবিবার ভোরে কাটোয়া স্টেশনের দু নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জারের একটি কামরায় আগুন লাগে। দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে কামরাটি। শর্ট সার্কিট থেকে এই আগুন লাগতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল। কিন্তু শর্ট সার্কিট থেকে এতো দ্রুত আগুন ছড়ানো কীভাবে সম্ভব সেই প্রশ্নও উঠেছিল। রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিল, শর্ট সার্কিট থেকে ওই আগুন লাগেনি। তাহলে আগুন লাগলো কীভাবে?
advertisement
কাটোয়া স্টেশনে রেলের কামরায় শর্ট সার্কিট থেকে আগুন ধরেনি বলে জানালেন পূর্ব রেলের হাওড়া ডিভিশনাল ম্যানেজার বিশাল কাপুর। তবে আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। ডিআরএম জানান, দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের কামরায় ঘটনার সময় কোনও বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। তাই শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগার কোনও সম্ভাবনা নেই।অন্য কোনওভাবে আগুন লেগেছিল। সেটা কীভাবে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বাইরে থেকে আগুন লাগানো হয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্লাটফর্মে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। কয়েকজনের সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করা গেছে। তবে রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে কামরার ভিতরে প্রথম আগুন লেগেছিল।
রেলের এক আধিকারিক রবিবার বিকেলে বলেন, এখনও কামরার ভিতরটা যথেষ্ট গরম। তবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগেনি এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে। সঠিক কারণ বলার জায়গায় এখনই পৌঁছনো সম্ভব হয়নি। এখন কিছু বলা মানে তা অনুমান নির্ভর হয়ে দাঁড়াবে। প্রচুর সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখার কাজ চলছে। খুব তাড়াতাড়ি আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
