পরিবারের অভিযোগ, প্রায় এক মাস আগে স্থানীয় এক যোগা শিক্ষকের কাছে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্ত শিক্ষক কার্তিক পাত্র নিয়মিত প্রশিক্ষণের সময় শিশুটিকে জোর করে কঠিন ব্যায়াম করাতেন বলে দাবি পরিবারের। অভিযোগ, সম্প্রতি একটি সেশনের সময় অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগের ফলে শিশুটির দুটি পা গুরুতরভাবে জখম হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক রিপোর্টে পা ভাঙার কথা জানা গিয়েছে।
advertisement
যে দেশে নেই নিজস্ব বিমানবন্দর! নেই নিজস্ব মুদ্রা! তবুও ভ্রমণের জন্য অসাধারণ সুন্দর… বলুন তো কোথায়?
শিশুটিকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের একাংশের দাবি, আঘাতের মাত্রা গুরুতর। যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন না হলে ভবিষ্যতে স্থায়ী শারীরিক প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
ঘটনার পর শিশুটির পরিবারের তরফে জগৎবল্লভপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষককে তাঁর প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত নথিপত্র নিয়ে থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে। তবে অভিযোগ দায়েরের পর থেকে তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।
পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শিশুটির চিকিৎসা সংক্রান্ত রিপোর্ট ও প্রশিক্ষণ পদ্ধতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।
