বাড়ির মালিক পার্থ চৌধুরী জানান, তিনি এবং তাঁর স্ত্রী দু’জনেই এই বাড়িতে থাকতেন। এদিন দুপুরে ব্যাঙ্কের একটি কাজে একটু বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিলেন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে দেখেন, বাইরের মূল লোহার গেট বাইরে থেকে তালা দেওয়াই ছিল। সেই তালা খুলে ভিতরে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে, ভিতরের দরজা খোলা। এরপর ঘরে ঢুকে দেখেন, তাঁর বেডরুমের দরজার কড়া ভাঙা। ভিতরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে কাগজপত্র থেকে ফাইল সবকিছু।
advertisement
গৃহকর্তা জানান, মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য বাড়ির বাইরে গিয়েছিলাম। সেই জন্য প্রতিদিনের মতো আলমারির চাবি বিছানার জাজিমের তলাতেই ছিল। সেখান থেকে চাবি নিয়ে আলমারি খুলে সোনা, রুপোর গয়না নিয়ে গিয়েছে। আনুমানিক দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকার গয়না চুরি গিয়েছে বলে জানান পার্থবাবু। পাশাপাশি এলাকার নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এলাকায় কোনও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা নেই, প্রতিনিয়ত সময় মতো পুলিশি টহল হয় না বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদিকে গৃহকর্ত্রী সুপ্রিয়া দাশগুপ্ত চৌধুরী বলেন, মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য বেরিয়েছিলাম। তাতে এত বড় ক্ষতি হয়ে যাবে ভাবতে পারিনি। তবে চোরেরা শুধু মাত্র সোনা, রুপোর গয়না নিয়ে গিয়েছে। টিভি, ক্যামেরা, ল্যাপটপ এগুলিতে হাত দেয়নি। এই ঘটনায় আতঙ্কে আছি।
কোদালিয়া ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শুভঙ্কর রাহা পুলিশের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানান, এর আগেও পাশের একটি বাড়িতে এই ঘটনা ঘটেছে। এরপর পুলিশ কিছুটা সক্রিয় হয়েছিল। কিন্তু আবার সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। আমি প্রশাসনকে একটু সক্রিয় হওয়ার অনুরোধ জানাব। অন্যদিকে চুরির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে তদন্ত শুরু করেছে ব্যান্ডেল ফাঁড়ির পুলিশ।
