দোলবাড়ির সামনে শুরু হয় আবির খেলা। সারাদিন ধরে চলে পুজোপাঠ, হোম-যজ্ঞ। দোলের আগের দিন চাঁচড় হয়। সেখানে ন্যাড়াপোড়া করে অশুভ শক্তির নাশ করা হয়। বসুরায় পরিবারের একাধিক নাট মন্দিরে আরও অনেক বিগ্রহ রয়েছে। সারা বছর নিত্য পুজো হয়। দোলের দিন বিশেষ পুজো হয় সেই সব বিগ্রহের।

আরও পড়ুন: চৈতন্যদেবের দীক্ষাপ্রাপ্তির ভূমিতে রঙের খেলা, ময়দানে কাটোয়াবাসীর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস! বসন্ত উৎসবে ভক্তি আর সংস্কৃতি মিলেমিশে একাকার

advertisement

এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর মেলা বসে সুগন্ধা দোলবাড়ি মাঠ ও স্কুল মাঠে। এক সপ্তাহ ধরে চলে মেলা। সুগন্ধা গ্রামের প্রতি বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন আসে দোলে। বহু মানুষের সমাগম হয় মেলায়। জিলিপি, বাদাম ভাজা আর হরেক খেলনার দোকান থেকে ঘর সাজানোর পসরা নিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা। নাগরদোলা থেকে ছোটোদের মজার রাইড, সবই থাকে মেলায়।

advertisement

আরও পড়ুন: যুদ্ধের আবহে সতীপীঠে বিশ্বশান্তির কামনায় যজ্ঞ! অট্টহাসে শুরু হল মহাপুজো, ৩০ হাজার ভক্তের জন্য এলাহি আয়োজন

দিনে দিনে এই মেলা কলেবরে বেড়েছে অনেকটাই। দোলবাড়ি মাঠে যাত্রাপালা অনুষ্ঠিত হয় দোলের রাতে। সেই রীতি আজও চলে আসছে। আগে বসুরায় পরিবার মেলা পরিচালনার দায়িত্বে থাকলেও, গত বেশ কয়েক বছর ধরে সুগন্ধা গ্রাম পঞ্চায়েত মেলা পরিচালনা করে থাকে। নিরাপত্তার জন্য পোলবা থানার পুলিশ মোতায়েন থাকে।

advertisement