বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মৌসুমী বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য ভবন থেকে এসওপি এলে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পর্যবেক্ষণ, টেকনিক্যাল-সহ বিভিন্ন টিম তৈরি করা হয়েছে। ভেন্টিলেটার, আইসোলেশন-সহ ৮ বেডের ওয়ার্ড রেডি করা আছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। এই হাসপাতালের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, নার্সকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।
advertisement
সন্দেহ করা হচ্ছে নিপা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের এক বাসিন্দা। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে এবার আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা চিকিৎসক,নার্স, স্বাস্থকর্মী ও পরিবারের সদস্য মিলিয়ে মোট ৪৮ জনকে হোম কোয়ারান্টাইনে পাঠালো পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দফতর। একই সঙ্গে এই ৪৮ জনেরই স্বাস্থ্যের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে। পূর্ব বর্ধমানের জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জয়রাম হেমব্রম বলেন, ফোনে নিয়মিত তাঁদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খবর নেওয়া হচ্ছে। তাঁরা সকলেই সুস্থ রয়েছেন।
তবে জেলার ওই বাসিন্দা নিপা ভাইরাসেই আক্রান্ত কিনা সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্যাধিকারিক জয়রাম হেমব্রম জানিয়েছেন, একজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হয়েছে। তাঁর পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ায় বাড়ি। বারাসতের একটি হাসপাতালের নার্সিং স্টাফ। পরীক্ষা দিতে তিনি এসেছিলেন। বাড়িতেই ছিলেন ওি নার্স। গত ৩ জানুয়ারি ওই নার্সকে কাটোয়া হাসপাতালে জ্বর নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ৪ তারিখে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয় ওই নার্সকে। ৬ তারিখ ওই নার্সকে বারাসতের হাসপাতালে নিয়ে যান বাড়ির লোকজন । তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত হয়নি। স
বাড়ির লোকজন, স্বাস্থ্য কর্মী, নার্স, চিকিৎসক মিলিয়ে ৪৮ জন তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন। তাই তাঁদের হোম কেয়ারান্টাইনে থাকার কথা বলা হয়েছে।
