TRENDING:

East Bardhaman News: পেটে খিদে, পরনে পুলিশের পোশাক! মেমারিকে যানজট মুক্ত রাখাই এখন নেশা আনোয়ারের

Last Updated:

পরণে পুলিশি পোশাক,হাতে লাঠি,অনবরত বাজিয়ে চলেছেন বাঁশি।প্রখর রোদ হোক বা ঝমঝমে বৃষ্টি রাস্তার ট্রাফিক সামলাতে তাঁর নেই কোনো ক্লান্তি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
Choose
News18 on Google
advertisement
মেমারি, সায়নী সরকার: পরনে পুলিশি পোশাক,হাতে লাঠি,অনবরত বাজিয়ে চলেছেন বাঁশি। প্রখর রোদ হোক বা ঝমঝমে বৃষ্টি  রাস্তার ট্রাফিক সামলাতে তাঁর নেই কোনো ক্লান্তি।দূর থেকে দেখলে তাকে কর্তব্যরত ট্রাফিক সার্জেন্ট ভেবে ভুল করবেন যে কেউ কিন্তু তিনি কোনো সরকারি কর্মচারী নন,পান না কোন পারিশ্রমিকও।
advertisement

শুধু ভালোবেসে বিনা পারিশ্রমিকে ট্রাফিকের ডিউটি পালন করে চলেছেন পূর্ব বর্ধমানের আনোয়ার। পারিশ্রমিক হিসাবে কেউ ভালোবেসে খাওয়ান চা আবার কেউ ভাত। এই ভাবেই দিন চলছে তাঁর। তবে তাঁর কাজের প্রতি নিষ্ঠা আর দায়িত্বে এলাকার ট্রাফিক সবসময় থাকে কন্ট্রোলে।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি থানা এলাকার হরিণডাঙা এলাকার বাসিন্দা আনোয়ার আলি শেখ। স্ত্রী, এক সন্তান ও বাবা-মাকে নিয়ে অভাবের সংসার তার।​ কোনরকমে বিড়ি বাঁধার কাজ করে চলে সংসার তবুও বিনা পরিশ্রমকে ট্রাফিক সামনে চলেছেন তিনি। প্রায় ১৪ বছর আগে শখের বশে একটি পুলিশের প্যান্ট কিনেছিলেন আনোয়ার। এরপর সেই প্যান্টের সঙ্গে মিলিয়ে কেনেন একটি জামা।

advertisement

ব্যাস তার পরে আর খুলতে পারেননি সেই পোশাক। পুলিশের সেই পোশাক ও কাজের প্রতি জন্মায় তার অগাধ ভালোবাসা। আর পোশাকের প্রতি ভালোবাসাকে কেবল সাজগোজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি তিনি। হাতে লাঠি আর মুখে বাঁশি নিয়ে নেমে পড়েন রাস্তায়।কোনো সরকারি নিয়োগ বা পারিশ্রমিক ছাড়াই মেমারি থানার বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন নিজের কাঁধে। বর্তমানে মেমারীর বামুনপাড়া মোড়ের ট্রাফিক কন্ট্রোলে করেন তিনি।আর এই পোশাকের প্রতি ভালোবাসা আজ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে আনোয়ার বাবু কোন আত্মীয় বাড়ি গেলেও এই পোশাক পরে যান।আনোয়ার আলি সেক বলেন, আমি এই পোশাকটা ও কাজটাকে ভালোবাসি।আমার এই কাজে সবার উপকার হচ্ছে তাই এই কাজ করা।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
বেআইনি টোটোতে জেরবার সাধারণ মানুষ! এর মধ্যে এবার টোটোর ছাদে রেস্তোরাঁ!
আরও দেখুন

নেই কোন সরকারি মোহরের বা পদ, স্বীকৃতির প্রত্যাশা নেই, নেই কোনো পদোন্নতির আশা তবুও কর্তব্যের অবিচল আনোয়ার।বর্তমানে মেমারির ওই মোড়ে যানজট মুক্ত রাখার প্রধান কারিগর হয়ে উঠেছে সে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সরকারি স্বীকৃতি না মিললেও, পথচলতি মানুষ আর গাড়িচালকদের কাছে তিনি আজ এক পরিচিত মুখ।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: পেটে খিদে, পরনে পুলিশের পোশাক! মেমারিকে যানজট মুক্ত রাখাই এখন নেশা আনোয়ারের
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল