১. আজ সাধারণ বাজেট, ভোটের আগে গতবার দেখা গিয়েছিল ঢালাও উপহার পেয়েছিল বিহার, তেমন আজকে পশ্চিমবঙ্গ কি কোনও উপহার পেতে চলেছে?
উঃ পশ্চিমবঙ্গ ইতিমধ্যেই ১২টি ট্রেন পেয়ে গেছে। নিশ্চয়ই পশ্চিমবঙ্গের লোক সুফল পাবে। কারণ ১০-১১ কোটি মানুষ থাকেন, তারা তো আর ভারতের বাইরের নয়। এখানকার সরকার করুক না করুক। কেন্দ্র সরকার তাদের জন্য করবে। সারা দেশের মানুষই পাবেন। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে যে সরকার চলছে গরিব কল্যাণ যোজনা লাভ। ৮১ কোটি মানুষ রেশন পাচ্ছে ও অন্যান্য সুবিধা পাচ্ছে। সেগুলো ঠিকঠাক পৌঁছাচ্ছে কিনা, যেগুলো পৌঁছাচ্ছে না সেগুলো পৌঁছানোর চেষ্টা হবে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন নতুন যোজনার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হবে। কোনও একটা রাজ্য ও কোন একটা বিশেষ কমিটির জন্য তো এই সরকার কাজ করে না।
advertisement
২. গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি তবে গৃহস্থ গ্যাসের নয়, কমার্শিয়াল গ্যাসের।
উঃ দেশের অর্থনৈতিক এগোচ্ছে, ক্রয় ক্ষমতা বাড়ছে এবং বিজনেসম্যানদের লাভ হচ্ছে। সে জন্য সামান্য তো বাড়বেই।
৩. বেলডাঙায় এনআইএ তদন্ত ভার নেওয়ায় হঠাৎ করে দেখা গেল, রাজ্য পুলিশের বিশাল রদবদল এবং মুর্শিদাবাদ জেলার এসপি-কে সরিয়ে দেওয়া হল।
উঃ পুলিশের রদবদল হয়, পুলিশের অফিসারদের জায়গার পরিবর্তন হয় কিন্তু পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয় না। এখানকার প্রশাসনিক আইন-শৃঙ্খলার কোনও রদবদল হয় না। এগুলি চলতেই থাকে। এগুলি আইওয়াশ। ছয় মাসে একবার করে বের হয় লম্বা লিস্ট। আইএএস ও আইপিএসদের বদলি হয়। তাতে পরিস্থিতির কি পরিবর্তন হচ্ছে? এনআইএ-র তদন্তভার এর জন্য তার থেকে বাঁচার জন্য এমন লোকদের পাঠাবে যাতে, তারা কো অপারেট না করে। এই ধরনের চালাকি করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চালিয়ে যাচ্ছেন।
৪. আনন্দপুরের ঘটনায় ঘিরে রাজনীতি করছে বিজেপি।
উঃ ৫০ জনের বেশি লোক মারা গেল আনন্দপুর। সেটা নিয়ে কিছু বললে রাজনীতি হয়ে গেল। আপনারা কী বাদ দেন, জন্ম থেকে মৃত্যু, বিবাহ সব রাজনীতি করেন। এসআইআর নিয়ে রাজনীতি কোথাও হয়নি আপনারা করছেন। দিল্লি ছুটছেন ভাইপো একবার, পিসি একবার। কীসের একবার বাধ্যবাধকতা। রাজনীতি অবশ্যই হওয়া উচিত। সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবেন রাজনীতি হবে না। বিজেপি কি এখানে কীর্তন করতে এসেছে। অবশ্যই রাজনীতি করবে।
৫. গুজরাতে ২০২৫ সালে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের ৫০ শতাংশ লোক টাকা পায়নি।
উঃ উনি কী করে জানলেন টাকা পায়নি। এটা কি পশ্চিমবঙ্গ নাকি? ক্ষতিগ্রস্ত লোকেদের টাকা টিএমসি খেয়ে নেবে। আমফানে দেখেছি আমরা, আয়লায় দেখেছি। বন্যার টাকা পায় না লোকে লুট হয়ে যায়। টিএমসি-র নেতারা পেয়ে যায়। এরকম করার কোনও দরকার নেই। পারলে উনি আরটিআই করুন ওখানে গিয়ে।
৬. এসআইআর ইস্যুতে দিল্লি যাওয়ার আগে আবারও চিঠি দিল মুখ্যমন্ত্রী জ্ঞানেশ কুমারকে।
উঃ চিঠি চাপাটি করে এসআইআরকে আটকানো যাবে না, বেশি দিন ধরে রাখা ও যাবেনা। এসআই আর হচ্ছে হবে।
৭. এসআইআর নিয়ে একটা অভিযোগ ছিল মাধ্যমিক পর্ষদ বোর্ডের যে, মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছিল যে ইআরও-কে তাদেরকে পরিবর্তন করতে চাইছে।
উঃ এসআইআর দুই মাস তিন মাস হয়ে গেল এবং শেষের পর্যায়ে চলে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার কর্মচারীদের ভয় দেখিয়ে। জোর করে টিচারদের বা যারা বিএলওদের কাজ করছে সবাইকে দিয়ে নির্বাচন কমিশনারের উপরে চাপ আনার চেষ্টা করছে। কোর্টে পর্যন্ত যাচ্ছেন। কিন্তু তারা এটা ভুলে যাচ্ছেন যে তাদের এখানে চাকরি করতে হবে। সরকার পাল্টে গেলে তাদের এখানেই থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশন সারাদেশে সরকারি কর্মচারীদের নিয়েই গোটা বিষয়টা দেখে এখানেও তাই হচ্ছে। সেখানে কর্মচারীদের ভয় দেখানো হচ্ছে কিন্তু তাদের ডিএ দিচ্ছে না সেটা তারা ভুলে গেছে।
