পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সোমবার সকাল থেকেই নিখোঁজ ছিলেন লক্ষী ঘোষ। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর বুধবার সকালে বাড়ির কিছুটা দূরে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবারকে খবর দেন। ঘটনাস্থলে ছুটে এসে পরিবারের সদস্যরা বৃদ্ধার দেহ শনাক্ত করেন। মৃতদেহ উদ্ধারের পরই সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বৃদ্ধার গলা, কান ও হাতে থাকা সমস্ত সোনার অলঙ্কার নিখোঁজ। অথচ নিখোঁজ হওয়ার সময় তাঁর শরীরে একাধিক সোনার গয়না ছিল বলে দাবি পরিবারের।
advertisement
দেহে কানে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন থাকায় খুনের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। মৃত বৃদ্ধার বড় ছেলে প্রকাশ ঘোষের অভিযোগ, “মায়ের গলার সোনার হারেরই ওজন ছিল এক ভরির বেশি। শরীরে আরও গয়না ছিল। সোনার লোভেই মাকে খুন করা হয়েছে। মাকে আর ফিরে পাব না, কিন্তু আমরা চাই ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক।” ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তথা এলাকার বিধায়ক স্বপন দেবনাথ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানান।
ইতিমধ্যেই মৃতার পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে, পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিকভাবে এটি পরিকল্পিত খুন বলেই অনুমান করছেন পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পর থেকে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তবে এখন একটাই প্রশ্ন, বৃদ্ধাকে কি সত্যিই সোনার অলঙ্কারের লোভেই খুন করা হয়েছে? নাকি এটা অন্য কোনও বিষয়? উত্তরের অপেক্ষায় পরিবার ও গোটা এলাকা।
