বৃহস্পতিবার দুপুরে বারাসাতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২রা জানুয়ারি অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে প্রথমে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করানো হয়। ৩ জানুয়ারি সকালের দিকে জ্ঞান হারালে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হলে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।
advertisement
উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বারাসাতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। টানা ৩৯ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ার পর শেষরক্ষা হলনা।বর্তমানে মৃতার বাবা-মা ও ভাই বারাসতেই রয়েছেন। গ্রামের বাড়িতে থাকা আত্মীয়-স্বজনদের ইচ্ছা শেষবারের মতো তাঁদের আদরের মেয়ের মুখ দেখার।
নিপা ভাইরাস একটি সংক্রামক রোগ হওয়ায় মৃতদেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য দফতরে আলোচনা চলছে। সংক্রমণজনিত ঝুঁকি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে মৃত নার্সের গ্রামের বাড়িতে। তরুণী নার্সের অকালপ্রয়াণে ভেঙে পড়েছেন পরিবার-পরিজন ও গ্রামের বাসিন্দারা।
মৃত নার্সের দাদু বলেন, ‘এই দিনটাও যে দেখতে হবে ভাবিনি। মেয়েটা নার্স হয়ে অসুস্থ মানুষের সেবা করবে এমনটাই আশা করেছিলাম। সেই আশা পূর্ণ হওয়ার মুখেই এভাবে সব শেষ হয়ে যাবে ভাবতে পারছি না। মেয়েটার দেহ শেষ দেখা দেখতে পেতে চেয়েছিলাম। সেই আশা পূর্ণ হবে কিনা কে জানে!’
