প্রতারিত ব্যক্তির নাম গৌতম ঘোষ। পেশায় তিনি একজন চা ব্যবসায়ী। কাজের সূত্রে নিয়মিত শিলিগুড়ি যাতায়াত করেন তিনি। চলতি মাসের ৩ তারিখেও কাজে শিলিগুড়ি গিয়েছিলেন। সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পরেই তাঁর হোয়াটসঅ্যাপে একটি অ্যাপ ফাইল আসে, যেখানে নিজেকে এআরটিও চালান সংক্রান্ত নোটিস বলে দাবি করা হয়।
advertisement
চালান কাটা হয়েছে ভেবে সন্দেহ না করেই ওই ফাইলটি খুলতেই একের পর এক ওটিপি আসতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ৪৩ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হয়। তখনই তিনি বুঝতে পারেন প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
ঘটনার পর দ্রুত শিলিগুড়ি সাইবার ক্রাইম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন গৌতম ঘোষ। পাশাপাশি ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করে তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা ট্রান্সফার হয়েছে রাহুল নামে এক যুবকের অ্যাকাউন্টে, যার ঠিকানা মুম্বাইয়ের ঘাটকোপার বলে জানা গিয়েছে।
এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছেন প্রতারিত ব্যবসায়ী। তাঁর কথায়, “মোবাইলে যেকোনও অচেনা লিঙ্ক বা অ্যাপ এলে না ভেবে ক্লিক করবেন না। এক মুহূর্তের ভুলে জীবনের সঞ্চয় খোয়া যেতে পারে।” পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে দ্রুত তদন্ত ও টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
ক্রমশ বাড়তে থাকা সাইবার প্রতারণার ঘটনায় উদ্বিগ্ন সাধারণ মানুষ। বিশেষজ্ঞদের মতে, হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেজে আসা কোনও লিংক বা অ্যাপ যাচাই না করে খোলা বিপজ্জনক হতে পারে। প্রশাসনের তরফেও সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
