নিখোঁজের খবর পেয়ে তাঁর পরিবার ক্যানিং থানায় অভিযোগ দায়ের করে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা আমড়াবেড়িয়া এলাকার একটি পুকুরে সানারুলের ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখতে পায়। খবর পেয়ে ক্যানিং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন চঞ্চল নামে এক স্থানীয়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহের অবস্থার থেকে স্পষ্ট যে সানারুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়েছে এবং এরপর পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, সানারুলকে টাকা-পয়সা নিয়ে চলা বিবাদের কারণে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পারিবারিক বা আর্থিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
advertisement
তবে হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে তদন্ত চলছে। সানারুল পেশায় দিনমজুর। ক্যানিং থানার পুলিশ জানিয়েছে, “ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় ময়নাতদন্ত এবং প্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে হত্যার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।”
স্থানীয় বাসিন্দা মইনুদ্দিন মোল্লা বলেন, “পাঁচ দিন নিখোঁজ ছিল ওই যুবক, ওর মামাকে জিজ্ঞাসা করার পর ওই যুবকের সন্ধান পাওয়া যায়, মামা ভাগ্নের মধ্যে গন্ডগোলের জেরে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড। আমাদের এলাকায় আগে কখনও দেখা যায়নি। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে”। সানারুলের মৃত্যু এলাকার মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: ঠান্ডার বিদায়ঘণ্টা বেজে গেল? নাকি শীতের ঝোড়ো 2.0 ব্যাটিং বাকি? আবহাওয়ার বড় খবর
ক্যানিং এসডিপিও রামকুমার মণ্ডল বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় একটি পুকুর থেকে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই যুবকের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর খুনের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
প্রাথমিক অনুমান টাকা-পয়সা জনিত কারণে এই ঘটনা। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ক্যানিং এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং স্থানীয়রা আশা করছে, পুলিশ দ্রুত অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনানুক শাস্তি দেবে।






