জানা গিয়েছে, কাঁথির এড়াফতেপুর গ্রামের ওই কিশোরী একাধিক ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরিবারের দাবি, এরপর তাকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে তমলুকের একটি নার্সিংহোমে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে কাঁথির এক প্রাইভেট চেম্বারের চিকিৎসকও তাঁকে মৃত বলে জানান।
আরও পড়ুনঃ কার দখলে বাংলাদেশ? ৩৪ আসনে এগিয়ে বিএনপি, ১৭টিতে জয় জামাতের! প্রহর গুণছে বাংলাদেশ
advertisement
পরিবারের অভিযোগ, সৎকারের প্রস্তুতি চলাকালীন অ্যাম্বুলেন্স টেকনিশিয়ান রবীন্দ্রনাথ মণ্ডলের জোরাজুরিতে কিশোরীকে ফের কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শুরু হতেই ধীরে ধীরে সাড়া দেয় কিশোরী এবং শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে যায়।
ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক কুন্দন সিংয়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট নার্সিংহোম ও চিকিৎসক মহল। তাদের দাবি, রোগীর অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক ছিল। ভর্তি না নিয়ে দ্রুত অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। ‘মৃত ঘোষণা’ করার অভিযোগ সঠিক নয় বলেও তারা জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালের সুপার বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে স্বাস্থ্য দপ্তর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি চিকিৎসকদের আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছে কিশোরীর পরিবার।
