পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ তারিখ রাতে মৃত্যুঞ্জয়কে ওই বেসরকারি রিহ্যাব সেন্টারে ভর্তি করা হয়। এরপর ২২ তারিখ দুপুরে পরিবারের কাছে ফোন করে জানানো হয়, তাঁর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক এবং দ্রুত হাবরা রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে পৌঁছাতে বলা হয়। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছে জানতে পারেন, তার আগেই মৃত্যু হয়েছে মৃত্যুঞ্জয়ের। অভিযোগ, সেই সময় তড়িঘড়ি আধার কার্ড দিতে চাপ দেওয়া হয় পরিবারের উপর।
advertisement
মৃতের পরিবারের আত্মীয়রা রিহ্যাব সেন্টারের কর্তাদের জিজ্ঞাসা করতে রিহ্যাব কর্তৃপক্ষ কোনও স্পষ্ট উত্তর দেয়নি। কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়, সকাল থেকে গ্যাসের সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু পরিবারের প্রশ্ন, যদি পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে থাকে, তবে কেন আগে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়নি? সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয় রিহ্যাব সেন্টারের সিসিটিভি ফুটেজ দেখার পর। পরিবারের অভিযোগ, ফুটেজে দেখা যায় মৃত্যুঞ্জয়ের হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা ছিল,মুখে কাপড় গোঁজা এবং গলায় ফাঁস দেওয়ার মতো দৃশ্য। এই ছবি সামনে আসতেই ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।
ঘটনাটি নিয়ে রিহ্যাব সেন্টারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করে। এরপরই মৃতের পরিবার হাবরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত তদন্তে নেমে রিহ্যাব সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত সাতজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের শুক্রবার পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায়। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাবরা থানার পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের।
