আরও পড়ুনঃ রিলিজের ১০ মাস আগেই অ্যাডভান্স বুকিং! ‘দেশু ৭’ নিয়ে ভারতীয় সিনেমায় ইতিহাস গড়তে চলেছেন দেব-শুভশ্রী
গতবছর জঙ্গলে আমরা ময়ূরের ডিম পাহারাও দিয়েছিলাম, এখন বাচ্চা ময়ূরের সংখ্যাও বেড়েছে। “জাতীয় পাখি ময়ূর আর মানুষের পাশাপাশি সহাবস্থানের এমন মনোরম ছবি বিশেষ করে আউশগ্রামের দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েতের মৌকটা গ্রামে নজর কেড়েছে। গ্রামের মূল রাস্তার ধারেই নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে ময়ূরদের। কখনও রাস্তার ধারে, কখনও আবার লোকালয়ের একেবারে কাছাকাছি, স্বাভাবিক ছন্দেই চলছে তাদের বিচরণ।যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা ‘ধানের গোলা’ হিসেবেই বেশি পরিচিত, তবুও জেলার একটি বড় অংশ জঙ্গলাকীর্ণ। বিশেষ করে আউশগ্রাম ২ ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা ঘন জঙ্গলে ঘেরা। বনদফতরের বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়েছে একের পর এক ময়ূরের ছবি ও ভিডিও। বনদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের তুলনায় ময়ূরের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। পাশাপাশি বাচ্চা ময়ূরের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অনুকূল পরিবেশ ও সফল প্রজননেরই প্রমাণ।
advertisement
আদুরিয়া বিটের বনাধিকারীক পিনাকী ভট্টাচার্য আরও বলেন, “বাড়িতে বাড়িতে রাস্তায় রাস্তায় ময়ূর দেখা যাচ্ছে এটা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। তবে এটা সত্যি যে আদুরিয়া জঙ্গলের বিস্তীর্ণ এলাকায় ময়ূর ব্যাপক ভাবে দেখা যাচ্ছে।” হেদোগোড়া, রাঙাখুলা, ছোট রামচন্দ্রপুর, কালিকাপুর সহ একাধিক গ্রামে নিয়মিত ময়ূরের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক একটি ঝাঁকে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি ময়ূর একসঙ্গে বিচরণ করছে। এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এখন পর্যটকদেরও আকর্ষণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মানুষের সঙ্গে জাতীয় পাখির এই সহাবস্থান প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় থাকারই ইঙ্গিত। বনদফতরের নজরদারি ও পরিবেশ রক্ষার ফলেই আজ আউশগ্রামে ময়ূর ও মানুষের এই সুন্দর সহাবস্থানের ছবি বাস্তব হয়ে উঠেছে।





