জানা যায়, ধৃত মহিলারা ট্রেনে করে ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে আসানসোল এসেছিল। পুলিশ এবং নারকোটিক্স দফতরের কাছে গোপন সূত্রে খবর ছিল, অভিযুক্তদের কাছে গাঁজা আছে। সেই খবর অনুযায়ী মহিলাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। শেষমেশ, আসানসোল রেল স্টেশনের ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্মের অনতিদূরে অভিযুক্ত মহিলাদর আটক করা হয়। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে ১৮ কিলো গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়। তিনজন মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
advertisement
একইদিনে উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙায় ২০ লক্ষ টাকার গাঁজা উদ্ধার হয়। গ্রেফতার রাজস্থানের এক ব্যক্তি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল গভীর রাতে ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর আমডাঙা পুরাতন রেজিস্ট্রি অফিসের কাছে তল্লাশি চালায় পুলিশ। একটি ইঞ্জিন ভ্যানকে আটকান অফিসাররা। ইঞ্জিন ভ্যানে কী রয়েছে, জানতে চাওয়ায় চালক জানান, খালি প্লাস্টিকের বোতল রয়েছে। কিন্তু গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই চোখ কপালে ওঠে পুলিশের। সেই প্লাস্টিকের বোতলের নীচেই ছিল একাধিক বস্তাভর্তি গাঁজা। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ২০০ কেজি। যার বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকা।
গত মাসেই ভিন রাজ্য থেকে দুর্গাপুরে গাঁজা পাচারের ছক ভেস্তে দেয় আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের কোকওভেন থানার পুলিশ। গ্রেফতার তিন মহিলা সহ চারজন। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ৩১ কেজি ৯২ গ্রাম গাঁজা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন বাসস্ট্য়ান্ড থেকে তিন মহিলা-সহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা যায় ধৃতদের আচরণে সন্দেহ হয় পুলিশের। তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই অসংলগ্ন কথা বলতে থাকে চারজন। এর পর তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালাতেই গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার হয়। ধৃতদের মধ্যে তিনজন ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা এবং একজন ওড়িশার বাসিন্দা।
দীপক শর্মা, আসানসোল
