জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশের গাড়িতে করে ওই মহিলা আলিপুরদুয়ারের দিকে যাচ্ছিলেন। মেন্দাবাড়ি এলাকায় ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উলটে যায়। ঘটনাস্থলে ওই মহিলার মৃত্যু হয়।
গাড়ির চালকের আসনে ছিলেন পুলিশ ইন্সপেক্টর। তিনিও গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁর ডান চোখ গুরুতর জখম হয়েছে। ভোর রাতেই তাঁকে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে এই ঘটনার পরেই ওই মহিলা কীভাবে পুলিশের গাড়িতে উঠলেন, কেন উঠলেন সেই সব নানান বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে।
advertisement
জানা গিয়েছে, ওই মহিলার স্বামী ভারতীয় রেলের টিটি পদে কর্মরত। রাতে মহিলা বাড়ি থেকে কোথায় গিয়েছিলেন তাও জানেন না ওই মহিলার স্বামী ও ছেলে। এই ঘটনার পরে জেলা হাসপাতালে পৌঁছয় পুলিশের বিশাল বাহিনী। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
কয়েকদিন আগে মালগাড়ির ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যুকে ঘিরে ফের সাবওয়ের দাবিতে সরব হন গ্রামবাসীরা। মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের ইংরেজবাজারের বড় সাঁকো এলাকায়। স্থানীয়দের দাবি, রেল লাইন পাড়াপারের সময় কলকাতাগামী মালগাড়ির ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। রেল পুলিশ গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায় মালদহ মেডিক্যাল কলেজে। রেল পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম ও পরিচয় এখনও জানা যায় নি। সাবওয়ে না থাকায় রেল লাইন দিয়ে যাতায়াত করতে হয় গ্রামবাসীদের। তাতে প্রায়ই ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, দাবি গ্রামবাসীদের।
সপ্তাহখানেক আগে উত্তরপাড়া স্টেশনে রেললাইন পার হতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মৃত্যু হয় এক স্কুল শিক্ষিকার। মৃতের নাম সরবজিৎ কৌর (৩২)। সন্ধ্যায় চন্দননগর থেকে পিকনিক সেরে ফিরছিলেন তিনি। ফেরার পথেই ঘটে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রেল পুলিশ। তারাই দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
