TRENDING:

AI ব্যবহারেই নামের বানান ও বয়সের অমিল! বাংলার SIR শুনানিতে কমিশনের প্রতি অসন্তোষ সুপ্রিম কোর্টের

Last Updated:

SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার ও এআই টুল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান হয়রানির অভিযোগ তোলেন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বানানের সামান্য গন্ডগোল বা বাবা–মায়ের সঙ্গে বয়সের ফারাক—এই সব কারণ দেখিয়ে ভোটারদের নোটিস পাঠানো নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল আদালত। বাংলার এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের ব্যবহৃত সফটওয়্যার ও এআই টুলের কার্যকারিতা নিয়েও কার্যত ভর্ৎসনা করা হয় কমিশনকে।
কমিশনের এআই ব্যবহার নিয়ে অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট
কমিশনের এআই ব্যবহার নিয়ে অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট
advertisement

সুপ্রিম কোর্টে শুনানির শুরুতেই রাজ্যের বাসিন্দাদের হয়রানির বিষয়টি তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তিনি জানান, রাজ্য সরকার কমিশনকে ৮,৫০০ জন কর্মী সরবরাহ করেছে। তবে নামের বানান, বয়সের ফারাক ও তালিকা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার অভিযোগ ওঠে শুনানিতে।

লক্ষ্যভেদ! বারবার হারের পর সাফল্য, ইউজিসি NET দর্শন বিভাগে সর্বভারতীয় স্তরে ‘প্রথম’ পূর্ব বর্ধমানের অনন্যা!

advertisement

ভাজার আগে গরম তেলে দিন জাস্ট এক চিমটে ‘ম্যাজিক’! পাতে উঠবে ফুলকো, ঝরঝরে সুগন্ধী লুচি!

এদিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নামের বানান নিয়ে যেভাবে সাধারণ মানুষকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, কমিশনের সফটওয়্যার অত্যন্ত সীমাবদ্ধ। অধিকাংশ বাঙালি পরিবারে ‘কুমার’ মধ্যম নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়, অথচ শুধু এই কারণেই নোটিস পাঠানো হচ্ছে। বিষয়টির অযৌক্তিকতা বোঝাতে তিনি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে উদাহরণ দিয়ে বলেন, কল্পনা করুন ‘শুভেন্দুনারায়ণ রায়’-এর ক্ষেত্রে ‘নারায়ণ’ যদি মধ্যম নাম হয়, তাহলেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।

advertisement

শুনানিতে কর্মীদের তালিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তিনি জানতে চান, রাজ্য যে কর্মীদের দিয়েছে তাঁদের নামের বিস্তারিত তালিকা আছে কি না এবং বাংলা জানা কর্মীদেরই কি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তরে শ্যাম দিওয়ান জানান, জেলাভিত্তিক তালিকা ইমেলের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী দাবি করেন, সেই তথ্য তাঁদের হাতে পৌঁছয়নি। এতে বিরক্তি প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানান, এই বিষয়ে আর বিতর্ক নয়। সমস্যা চলতে থাকলে মুখ্যসচিবের কাছ থেকে হলফনামা তলব করা হবে।

advertisement

শুনানিতে মাইক্রো অবজারভারদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রধান বিচারপতি জানতে চান, তাঁদের কাজ ঠিক কী। কমিশনের তরফে জানানো হয়, ইআরও ও এইআরওদের সহযোগিতার জন্যই মাইক্রো অবজারভারদের নিয়োগ করা হয়েছে এবং তাঁদের কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নেই। তখন প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, যদি রাজ্যের অফিসাররাও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হন, তাঁরাও মতামত দিতে পারবেন, ফলে ইআরও-দের সিদ্ধান্ত আরও শক্ত ভিত পাবে।

advertisement

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
দুর্গাপুর থেকে সাইকেল নিয়ে মুকুটমণিপুর, পাওয়া গেল দেহ 
আরও দেখুন

এই শুনানিকে ঘিরে কমিশনের পদ্ধতি ও প্রযুক্তি ব্যবহারের যুক্তি নিয়ে আদালতের প্রশ্নে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
AI ব্যবহারেই নামের বানান ও বয়সের অমিল! বাংলার SIR শুনানিতে কমিশনের প্রতি অসন্তোষ সুপ্রিম কোর্টের
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল