২০২১ সালে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা নোনা জলে প্লাবিত হয়েছিল। চাষের জমিতে নোনা জল প্রবেশ করায় সেই বছর চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এরপরেই বিকল্প ধান চাষের চিন্তাভাবনা শুরু হয়।
advertisement
ইয়াসে সাগর ব্লক সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেবার সাগর ব্লকের ১৬টি মৌজার ধান নষ্ট হয়ে যায়। সেই জন্য সাগর ব্লকেই পরীক্ষামূলকভাবে এই নোনাস্বর্ণ ধান চাষের কাজ শুরু হয়। এখানকার ২২টি মৌজায় ৪০০ একর জমিতে ধান চাষ শুরু হয়। তাতে সাফল্য মেলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গায় এই ধান চাষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই ধান চাষের জন্য নোনা জমিতে এক থেকে দু’বার মিষ্টি জল দিয়ে ধুয়ে দেওয়া হয়। তারপর এই চাষ করা হয়। এই চাল খেতেও খুব সুস্বাদু। ফলে দ্রুত সকলের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই নোনাস্বর্ণ ধান।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নোনাস্বর্ণ ধানের তালিকায় রয়েছে লুনা, সুবর্ণ, লুনিশ্রী, ক্যানিং-৭, হ্যামিল্টন ও দুধেশ্বরের মতো বেশ কয়েকটি প্রজাতির ধান। এই ধানগুলি মূলত লবণ সহনশীল ধানের হিসেবে পরিচিত। প্রথমে মিষ্টি জলের কাদায় ধানের বীজতলা তৈরি হয়। পরে তা লবণাম্বু পরিবেশে রোপণ করা যেতে পারে। রোপণের ১৫০ দিনের মধ্যেই ধান কাটার উপযুক্ত হয়ে যাবে।





