অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তিনি সমাবর্তন মঞ্চ থেকে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন এবং জ্ঞান, উদ্ভাবন ও নৈতিকতার মাধ্যমে দেশগঠনে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য অধ্যাপক সমিত রায় এবং উপাচার্য অধ্যাপক সুরঞ্জন দাস। উপস্থিত ছিলেন অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন (এআইসিটিই)-এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ড. টি. জি. সীতারাম, ভিএলএসআই সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার সভাপতি ড. সত্য গুপ্ত এবং এ. কে. চৌধুরী স্কুল অব ইনফরমেশন টেকনোলজির অধিকর্তা অধ্যাপক অম্লান চক্রবর্তী-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
advertisement
এ বছর মোট ১,৫২৭ জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন পাঠক্রমে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৯৯২ জন স্নাতক, ৪৫৭ জন স্নাতকোত্তর, ২২ জন পিএইচডি, ৫৪ জন ডিপ্লোমা প্রাপক এবং জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) কাঠামোর অধীনে ২ জন শিক্ষার্থী ডিগ্রি অর্জন করেন। কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ১২ জনকে স্বর্ণপদক এবং ২০ জনকে রৌপ্যপদক প্রদান করা হয়।
এছাড়াও চারজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব — ইন্দ্রজিৎ মিত্র, আশীষ আগরওয়াল, অজিত সিং এবং প্রীতম নাগারিগারি — তাঁদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মানসূচক ডক্টরেট(Honoris Causa) উপাধিতে ভূষিত হন। সমাবর্তন উপলক্ষ্যে আচার্য অধ্যাপক সমিত রায় বলেন, “সমাবর্তন কেবল শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি নয়, বরং বৃহত্তর দায়িত্ব গ্রহণের সূচনা। আ্যডামাস বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বমানের, সামাজিকভাবে দায়বদ্ধ ও শিল্প-সংহতিকরনে প্রস্তুত স্নাতক তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যারা জ্ঞান, নৈতিকতা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নেতৃত্ব দেবে।” এনএএসি-র ‘এ’ গ্রেডপ্রাপ্ত এই বিশ্ববিদ্যালয় পূর্ব ভারতের উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে এক স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তুলেছে। বহুমাত্রিক শিক্ষাব্যবস্থা, ফলাফলভিত্তিক পাঠক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্তির উপর জোর দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি তার একাডেমিক পরিসর বিস্তৃত করছে। নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠান আবারও প্রমাণ করল, জ্ঞান, সততা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার মূল্যবোধকে সামনে রেখে আগামী দিনের নেতা, গবেষক ও পেশাদার গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গীকারবদ্ধ।
