তাঁর স্ত্রী জানান, “মোবাইলের মাধ্যমে জানতে পারলাম স্বামীকে পুলিশ ধরেছে। জঙ্গি যোগ সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত দুই মাস আগে বাড়ি এসেছিল সে। ফাঁসানো হয়েছে পরিবারের সদস্যকে। মাসে পরিবারের খরচ হিসাবে কখনও পাঁচ হাজার কখনও ১০ হাজার টাকা পাঠাত উমর। ইদের আগে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তার।” এদিকে এই খবর জানতে পারার পরই এদিন সকাল থেকে কান্নায় ভেঙে পড়েছে তার পরিবারের সদস্যরা। এদিকে জঙ্গি সন্দেহে উমর ফারুক গ্রেফতার হওয়ায় গোটা গ্রাম জুড়ে একটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
advertisement
প্রসঙ্গত, দিল্লির বুকে নাশকতা ছড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম সেলের হাতে গ্রেফতার মোট আটজন, যার মধ্যে দু’জন পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে খবর। ধৃতদের নাম সুমন শেখ ও জোহাব শেখ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, পাকিস্তানি একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাযোগ ছিল সুমনের। ক্রিপ্টো কারেন্সির মাধ্যমে টাকাও পেয়েছে ধৃত। বেশ কিছু পাকিস্তানি নম্বরে নির্দিষ্ট কিছু ওটিপি পাঠাত সুমন। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর সাহায্যে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম সেল সুমনকে গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, পাক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা এবং বাংলাদেশের কিছু কট্টরপন্থী মৌলবাদী জঙ্গিদের সাহায্য নিয়ে রাজধানী দিল্লির বুকে বড়সড় নাশকতার ছক কষা হচ্ছিল বলে সম্প্রতি গোয়েন্দারা খবর পান। সেই খবরের উপর ভিত্তি করে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম সেল তামিলনাড়ুর তিরুপুর থেকে মিজানুর রহমান, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ সাবাত, উমর,মহম্মদ শাহিদ এবং মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ৬ জনকে গ্রেফতার করে। ধৃত ৬ ব্যক্তি তামিলনাড়ুতে একটি পোশাক তৈরির কারখানায় কাজ করতেন বলে সূত্রের খবর
