স্বাভাবিকভাবে বাধ্য হয়ে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীরা। কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থার আওতাধীন এই স্বাস্থ্যকর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। ফলে আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
দুর্গাপুর: করোনা কালে কাজ করেছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। পরিষেবা দিয়ে গিয়েছেন রোগীদের। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে বেতন বকেয়া। আগেও বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তারা। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। স্বাভাবিকভাবে বাধ্য হয়ে কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্বাস্থ্যকর্মীরা। কলকাতার একটি বেসরকারি সংস্থার আওতাধীন এই স্বাস্থ্যকর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। ফলে আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হচ্ছেন তারা। সংসার চালাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে বকেয়া বেতন চেয়ে বারবার কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হচ্ছেন। কিন্তু সুরাহা না মেলায় দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সামনে কর্মবিরতিতে নামেন তারা। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় দুর্গাপুর নিউটাউন শিপ থানার পুলিশ। এবারেও পাওয়া গিয়েছে আশ্বাস। তাদের বকেয়া বেতন শীঘ্র দিয়ে দেও য়া হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিনের বকেয়া বেতন না পাওয়া পর্যন্ত আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মচারীরা। বকেয়া বেতন সহ একাধিক দাবি নিয়ে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীরা কর্মবিরতির ডাক দিয়ে হাসপাতালের গেটের সামনে ধর্ণায় বসেন। কর্মবিরতি থেকে চলতে থাকে বিক্ষোভ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপ থানার পুলিস আসে। বিক্ষোভের জেরে সাময়িক পরিষেবা ব্যাহত হয়। বিক্ষোভকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই হাসপাতালে প্রায় ৮৩ জন অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। তাঁরা হাসপাতালের বিভিন্ন কাজের সাথে যুক্ত রয়েছেন। অভিযোগকারী সিদ্ধেশ্বর দাস বলেন, কোলকাতার একটি সংস্থা আওতাধীনে আমরা কর্মরত।ওই সংস্থা আমাদের ৪ মাস ধরে বেতন দিচ্ছে না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ'কে বলেও কোনও সুরাহা হয়নি। আমরা মুখমন্ত্রী, জেলাশাসক সহ প্রতিটি প্রশাসন মহলে অভিযোগ জানিয়েছি। আমরা বেতন না দেওয়া হলে আপাতত কাজ বন্ধ থাকবে।