প্রধানমন্ত্রী ইতিহাসের উদাহরণ টেনে বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লবের প্রতিটি পর্যায়েই কর্মসংস্থান নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। শিল্পবিপ্লব থেকে ইন্টারনেটের আবির্ভাব— প্রতিবারই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল কাজ হারানোর। কিন্তু ইতিহাস দেখিয়েছে, প্রযুক্তি কাজকে বিলোপ করে না, বরং তার ধরন বদলে দেয়। নতুন নতুন ক্ষেত্র ও পেশার জন্ম হয়। তাঁর কথায়, “যখনই নতুন উদ্ভাবন আসে, নতুন সুযোগও তৈরি হয়।” তিনি আশা প্রকাশ করেন, এআই-র যুগেও উচ্চমানের প্রযুক্তিনির্ভর নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে।
advertisement
আপনার শরীরে কি ক্যানসার বাসা বাঁধছে? মাত্র ৩০ মিনিটেই জানতে পারবেন! যুগান্তকারী পদক্ষেপ দেশে
এআই প্রযুক্তির রমরমায় চাকরি সংকট? কী বলছেন মোদি?
এআই-কে প্রধানমন্ত্রী ‘ফোর্স মাল্টিপ্লায়ার’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। তাঁর মতে, এআই পেশাজীবীদের অপ্রাসঙ্গিক করে তুলবে না, বরং তাঁদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে। চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী— সকলেই এআই-র সাহায্যে আরও নিখুঁত ও দ্রুত পরিষেবা দিতে পারবেন। ফলে মানুষ সৃজনশীল, মূল্যভিত্তিক ও মানবিক কাজের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারবেন, আর যান্ত্রিক ও পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
দেশের জনমিতিক শক্তিকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার ‘স্কিলিং’ ও ‘রি-স্কিলিং’-এ জোর দিচ্ছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এআই-নির্ভর পরিবর্তনকে ভবিষ্যতের সমস্যা হিসেবে না দেখে বর্তমানের প্রয়োজন হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তিনি স্ট্যানফোর্ড গ্লোবাল এআই ভাইব্র্যান্সি ইনডেক্স ২০২৫-এর উল্লেখ করে জানান, সেখানে ভারত বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে, যা এআই-ক্ষেত্রে দেশের প্রতিভা ও গবেষণার অগ্রগতির প্রমাণ।
উদ্ভাবন ও অন্তর্ভুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে যুবসমাজকে আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সঠিক দক্ষতা ও ইন্ডিয়া এআই মিশনের সহায়তায় ভারতের তরুণ প্রজন্ম শুধু এআই বিপ্লবের সঙ্গে তাল মিলিয়েই চলবে না, ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেবে।
