আসলে দূরপাল্লার ট্রেনের প্রত্যেক কামরায় আপার বার্থ আর লোয়ার বার্থের মাঝে থাকে মিডল বার্থ। আর মিডল বার্থে সিট পড়লেই যেন বিপাকে পড়েন অনেকে। আসলে অন্য যাত্রীদের বসার সুযোগ দেওয়ার জন্য দিনের বেলায় এই মিডল বার্থটি ভাঁজ করা থাকে। আর এহেন পরিস্থিতিতে এই মিডল বার্থ খোলা এবং বন্ধ করে রাখার সময় বেঁধে দিয়েছে ভারতীয় রেল। আসলে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যাতে অন্যরা লোয়ার বার্থের আসনে বসতে পারেন। জেনে নেওয়া যাক এই সংক্রান্ত নিয়ম।
advertisement
আরও পড়ুন- বাইক চলতে চলতে বন্ধ হয় কেন? ৫টি জিনিস মাথায় রাখুন, সমস্যা হবে না
মিডল বার্থ ব্যবহার সংক্রান্ত রেলের বেঁধে দেওয়া নিয়ম:
১. ট্রেনযাত্রীরা ঘুমানোর জন্য কতক্ষণ মিডল বার্থ ব্যবহার করতে পারেন, সেই সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ভারতীয় রেল। সাধারণত এই সময় শুরু হয় রাত ১০টা থেকে। আর পরের দিন ভোর ৬টা পর্যন্ত খুলে রাখা যায় মিডল বার্থ। এই সময়টার মধ্যে যাত্রীরা মিডল বার্থে শুয়ে ঘুমিয়ে নিতে পারেন।
২. একবার ঘুমোনোর সময় পার হয়ে গেলে যাত্রীদের মিডল বার্থ সোজা ভাবে ভাঁজ করে রেখে দিতে হবে। এর ফলে লোয়ার বার্থে বসার জায়গা তৈরি হয়। যার জেরে লোয়ার এবং মিডল বার্থের যাত্রী উভয়েই আরামে বসতে পারেন। এটাই একটা নিয়ম। এর ফলে দিনের বেলায় মিডল বার্থ ব্যবহার করা যায় না।
৩. যখন ঘুমোনোর সময় নয়, তখন লোয়ার বার্থ আসলে মিডল এবং লোয়ার বার্থের যাত্রীদের বসার জন্য ব্যবহৃত হয়। এই সময়সীমা সংক্রান্ত নিয়ম বেঁধে দেওয়ার ফলে বসার এই আসন সুন্দর ভাবে ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন- ১..২..৩.., জন্ম তারিখ! ‘দুর্বল’ পাসওয়ার্ড কোনগুলো? না জানলেই হবে ‘ডিজিটাল চুরি
৪. যদি মিডল বার্থ ব্যবহারকারী কোনও যাত্রী ভোর ৬টার পরেও মিডল বার্থ না তুলতে চান, তাহলে অন্যান্য যাত্রীদের বিপাকে পড়তে হয়। এই পরিস্থিতিতে মিডল বার্থের যাত্রীদের অনুরোধ করার অধিকার রয়েছে অন্যান্য যাত্রীদের। কিন্তু তা সত্ত্বেও যদি মিডল বার্থের যাত্রী সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেন, তাহলে সেই বিষয়ে ট্রেনের কর্মী অথবা টিকিট পরীক্ষক বাব টিটিই-র কাছে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।
