সময়মতো সঠিকভাবে গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ না করলে কয়েক দিনের মধ্যেই নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। কখনও সমস্যা এতটাই বেড়ে যায় যে গাড়িকে রাস্তায় নামানোই মুশকিল হয়ে যায়। এখানে গাড়ির দেখভালের কিছু টিপস দেওয়া হল, যেগুলো মেনে চললে গাড়ি দীর্ঘদিন ভাল থাকবে।
আরও পড়ুন- বাইক থামাতে আগে ক্লাচ চাপবেন না কি ব্রেক? ‘সঠিক’ নিয়ম কী? ৯০% মানুষ জানেন না
advertisement
ইউজার ম্যানুয়াল: ইউজার ম্যানুয়ালে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য থাকে। কোম্পানি এটা দেয় যাতে গ্রাহক গাড়ির গুরুত্বপূর্ন ফাংশনগুলো বুঝতে পারেন। গাড়ির বিভিন্ন ফিচার এবং দেখভালের বিষয়টাও জানানো হয়।
ইউজার ম্যানুয়াল পড়লেই গ্রাহক গাড়ির প্রতিটি বড়, ছোট পার্টস সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যান। এতে হেডলাইট, ইঞ্জিন, অটোমেটিক ফিচার্স, লকিং ফাংশন, এয়ার কন্ডিশনার, টায়ারের আকার তো বটেই, এমনকী গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হলে মেরামতের পদ্ধতিও থাকে।
ইঞ্জিন অয়েল: অনেক সময় গ্রাহক সময়ে ইঞ্জিন অয়েল এবং ফিল্টার পাল্টান না। এতে ইঞ্জিনের ক্ষতি হয়। তেল কম থাকলে ইঞ্জিনের অভ্যন্তর জীর্ণ হতে শুরু করে। বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে। তাই সময়ে ইঞ্জিন অয়েল বদলানো এবং ব্রেক ফ্লুইড দেখা গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ: গাড়ির নিয়মিত সার্ভিসিং করানো উচিত। হ্যাঁ, এতে খরচ হবে বটে কিন্তু গাড়ি থাকবে চাঙ্গা। সার্ভিসিং না করালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় গাড়ির ইঞ্জিনের। নিয়মিত সার্ভিসে গাড়ির ইঞ্জিন অয়েল, ফ্লুইড, লুজ নাটবোল্ট, টায়ারের প্রেসার, অয়েল ফিল্টার চেক করা হয়।
আরও পড়ুন- ইলেকট্রিক গাড়ি কিনবেন? তার সারা দেশে চার্জিং স্টেশনের সংখ্যা শুনে নিন
ধুলো ময়লা: গাড়ির ভিতরে এবং বাইরের ধুলো ময়লাও নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তাছাড়া দীর্ঘদিন ময়লা পরিস্কার না করলে রঙ নষ্ট হয়ে যায়। মরচে পড়ে। গাড়ির ভেতরে সবসময় আর্দ্রতা থাকলেও মরচে পড়ার ভয় থাকে।
ওভারলোডিং: অনেকে গাড়িতে প্রচুর লাগেজ তোলেন। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ইঞ্জিনে। গাড়িতে বেশি লাগেজ বা অতিরিক্ত যাত্রী তুললে ইঞ্জিনে লোড বেশি পড়ে। জ্বালানি বেশি খরচ হয়। ইঞ্জিন দ্রুত গরম হয়ে যায়।
