স্মার্টফোনের এই ক্ষতিকর রেডিয়েশনের মান নির্ধারণ করার জন্য একটি SAR কোড রয়েছে। স্মার্টফোনের ক্ষতিকর রেডিয়েশন ইউজারদের জন্য কতটা বিপজ্জনক বিকিরণ তরঙ্গ তৈরি করে তা এই কোডের মাধ্যমে পরীক্ষা করা সহজ।
বর্তমান সময়ে গ্যাজেট, ইলেকট্রনিক সামগ্রী প্রত্যেকের জীবনের একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। বাড়ির কাজ হোক বা বাড়ির বাইরে, আমরা কোনও না কোনও ডিভাইসের আশেপাশে থাকি।
advertisement
এই ডিভাইসগুলি ইলেকট্রনিকভাবে কাজ করে এবং ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশনও নির্গত করে। মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে এই বিকিরণের সংস্পর্শে থাকলে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে।
লোকেদের এই ডিভাইসগুলি কম ব্যবহার করা উচিত এবং এর থেকে বেরিয়ে আসা বিকিরণের পরিমাণের উপর নজর রাখা উচিত। এটি ডিভাইসের SAR মান পরীক্ষা করে পাওয়া যেতে পারে।
যে কোনও মোবাইল ফোনের SAR মান চেক করার প্রক্রিয়া খুবই সহজ। ইউজারদের শুধুমাত্র তাঁদের মোবাইল ফোনে USSD কোড জানতে *#০৭# ডায়াল করতে হবে। তারপর তাঁদের সেই পৃষ্ঠায় রিডায়রেক্ট করা হবে। এখানে তাঁরা SAR মান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরীক্ষা করতে পারেন।
আরও পড়ুন- মাঠে আর ফেরা হল না কেএল রাহুলের! কোচ দ্রাবিড় দিলেন বড় দুসংবাদ
মোবাইল ফোনের জন্য SAR সীমা হল ১.৬W/kg। মোবাইল ফোনের SAR সীমা এর চেয়ে কম হলে ফোন ব্যবহারে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু, এর থেকে বেশি হলে ইউজারদের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি হতে পারে। এছাড়া এটিও লক্ষ্য করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, কিছু প্রিমিয়াম ফোনে ইউজাররা এই কোড ডায়াল করে SAR-এর মান খুঁজে পাবে না।
ইউজাররা শুধুমাত্র SAR মান জানতে সেই ডিভাইসের ব্র্যান্ডের ওয়েবসাইটে যেতে পারে। ইউজাররা সেটিং অপশনেও যেতে পারেন এবং সেখান থেকে ওই ব্র্যান্ডের ডিভাইসের SAR মান জানতে পারবেন। এই তথ্যটি সাধারণত এই ধরনের অনেক ডিভাইসের ম্যানুয়ালেও উপস্থিত থাকে। অনেকেই এখন ভাবতে পারেন যে, SAR মান কী?
SAR –
SAR মান হল ফোন দ্বারা নির্গত তরঙ্গ এবং মানবদেহ দ্বারা শোষিত তরঙ্গ পরিমাপ। মোবাইল থেকে বের হওয়া তরঙ্গ সবসময় একরকম হয় না। ফোনের ব্যবহার অনুযায়ী এগুলো বাড়ে এবং কমে। স্মার্টফোন থেকে নির্গত এই তরঙ্গগুলি ‘SAR ভ্যালু’-এর মাধ্যমে পরিমাপ করা হয় এবং তা এক ফোন থেকে অন্য ফোনের ক্ষেত্রে আলাদা হয়।
