উপযুক্ত বসার অবস্থান: বুক এবং স্টিয়ারিং হুইলের মধ্যে কমপক্ষে ১০ ইঞ্চির ব্যবধান থাকতে হবে। চালকের আসনে বসার এটাই যথোপযুক্ত অবস্থান। এতে এয়ার ব্যাগ সঠিকভাবে খোলার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পায়। চালকের আহত হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
আরও পড়ুন- বাড়ছে গরম, কত রাখছেন ফ্রিজের তাপমাত্রা? এই ভুলেই খারাপ হতে পারে খাবার!
advertisement
সিটারিং ধরার সঠিক পদ্ধতি: ৯টা এবং ৩টে বাজার সময় ঘড়ির কাঁটার যে অবস্থান থাকে, সেভাবে স্টিয়ারিংয়ে হাত রাখতে হবে। হুইলের মাঝখানে হাত রাখা চলবে না। এতে এয়ার ব্যাগ খোলার সময় আঘাত লাগার সম্ভাবনা থাকে।
সিটবেল্টের ব্যবহার: সবসময় সঠিকভাবে সিটবেল্ট পরতে হবে। কারণ সুরক্ষা প্রদানের জন্য সিটবেল্ট এবং এয়ার ব্যাগ একসঙ্গে কাজ করে। শিশুদের সবসময় গাড়ির পিছনের আসনে বসানো উচিত। ১৩ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানতেই হবে।
নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে: এয়ারব্যাগের কভার থেকে নিরাপদ দূরত্বে বসতে হবে। এতে এয়ারব্যাগ খোলার সময় মুখের বা শরীরের উপরের অংশে আঘাতের ঝুঁকি কমে।
ড্যাশবোর্ডে ভারি বস্তু রাখা চলবে না: ড্যাশবোর্ডে ভারি বা শক্ত জিনিস রাখা উচিত নয়। ধাক্কা লাগলে বা দুর্ঘটনা ঘটলে সেগুলো ছিটকে যাবে। তাতে যাত্রীদের আহত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। এই আইটেমগুলো প্রজেক্টাইলে পরিণত হয়। এয়ার ব্যাগের পাশাপাশি অতিরিক্ত ক্ষতির কারণ ঘটে।
আরও পড়ুন- ফোনে ‘এই’ রঙের আলো দেখা যাচ্ছ! সর্বনাশ হয়ে যাওয়া আটকাতে ব্যবস্থা নিন এখুনি
এয়ার ব্যাগ ওয়ার্নিং লাইট: চালকে ড্যাশবোর্ডের এয়ার ব্যাগ ওয়ার্নিং লাইটের দিকে নজর রাখতে হবে। আলো জ্বলে উঠলে এয়ার ব্যাগ সিস্টেমে সম্ভাব্য সমস্যা বোঝায়। সমস্যা থেকে বাঁচতে পেশাদার চালকদের সেটা তৎক্ষণাৎ দেখা উচিত।
প্রসঙ্গত, এয়ার ব্যাগ নিরাপত্তা ডিভাইস। ২০১৯ সালে কেন্দ্র সরকার সমস্ত গাড়িতে এয়ার ব্যাগ চালুর নির্দেশ দিয়েছিল। গাড়ির সামনের আসনে এয়ার ব্যাগ দেওয়া থাকে। ধাক্কা লাগলে বা দুর্ঘটনার সময় সময় সেটা খুলে গিয়ে যাত্রীকে চোট আঘাত থেকে বাঁচায়।
