এমন পরিস্থিতিতে এসি চালু করতেই হয়। কিন্তু গাড়ি ঠান্ডা হতে কিছুটা সময় লাগে। তাহলে উপায়? আছে। গাড়িতে একটি বিশেষ বোতাম রয়েছে, এই সময় সেটা চালু করতে হবে। এই বোতামটার নাম ‘এয়ার রিসার্কুলেশন বাটন’। এসি-র সঙ্গে এই বোতামটাও অন করতে হয়।
আরও পড়ুন- BharatGPT AI ফিচার-সহ লঞ্চ হল দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট!
advertisement
এয়ার সার্কুলেশন বাটন বাইরের বাতাস টানার পরিবর্তে গাড়ির ভিতরের বাতাসকেই চারপাশে ছড়িয়ে দেয়। যদিও সরাসরি বাতাস ঠান্ডা করার ক্ষমতা এর নেই। কিন্তু গরমের অনুভূতিটা কমিয়ে দিতে পারে।
গ্রীষ্মকালে বাইরের বাতাসও গরম থাকে। তাই এয়ার সার্কুলেশন বাটন বাইরের বাতাস টানে না। বদলে গাড়ির ভিতরে ইতিমধ্যে উপস্থিত শীতল বাতাস ব্যবহার করে। গ্রীষ্মকালে গাড়ির ভিতরের বাতাস সাধারণত বাইরের বাতাসের চেয়ে ঠান্ডা থাকে।
তাই এয়ার সার্কুলেশন বাটন অন করার পর এসি চালালে শীততাপনিয়ন্ত্রক ব্যবস্থাকে বেশি পরিশ্রম করতে হয় না। বাতাস দ্রুত ঠান্ডা হয়।
গ্রীষ্মকালে বাইরের গরম বাতাস টানা মানে এসি-কে সেটাও ঠান্ডা করতে হবে। ফলে এসি-র উপর বাড়তি চাপ পড়বে। এখন গাড়ির ভিতরের ঠান্ডা হাওয়াকে ছড়িয়ে দিলে এসি-র উপর চাপ কম পড়বে।
এসি ভালভাবে কাজ করবে। কিছু পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে প্রচণ্ড জ্যাম বা গাড়ি পার্ক করার সময় এয়ার সার্কুলেশন বাটন চালু করলে গাড়ির ভিতর আরামদায়ক তাপমাত্রা বজায় থাকে। এই সময়গুলোতে এসি-ও চালাতে হয় না।
আরও পড়ুন- ChatGPT হ্যাক ফেলেছে চিন্তায়, সুরক্ষিত থাকতে কী বলছে Microsoft এবং OpenAI? জানুন
তবে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, এয়ার সার্কুলেশন মোড গাড়িকে দ্রুত ঠান্ডা করে ঠিকই কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের উপযুক্ত নয়। কারণ বাইরের টাটকা বাতাস ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে রিসার্কুলেশন মোড ব্যবহার করলে গাড়ির ভিতরের বাতাসের গুণমান কমতে শুরু করে। আর্দ্রতা বাড়ে। তাই অল্প সময়ের জন্যই এটা ভাল।
