মুকেশ আম্বানি জোর দিয়ে বলেছেন, এআই কেবল আরেকটি প্রযুক্তি নয়। তিনি বলেছেন, “প্রথমবারের মতো মানুষ এমন মানবসদৃশ সিস্টেম তৈরি করছে, যা শিখতে, কথা বলতে, বিশ্লেষণ করতে, চলতে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে উৎপাদন করতে পারে। এআই হল সেই মন্ত্র, যা প্রতিটি যন্ত্র ও ব্যবস্থাকে আরও দ্রুত, উন্নত এবং বুদ্ধিমানভাবে কাজ করতে শক্তি জোগায়।”
advertisement
সম্মেলনের গুরুত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, “এই সম্মেলন ভারতের প্রযুক্তি খাতের জন্য এক নির্ধারক মুহূর্ত—একটি সময়, যখন ভারত প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে দেশের স্বপ্ন পূরণে এআই-কে একটি প্রধান শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা হবে।” তিনি পূর্বাভাস দেন যে, “২১শ শতকে ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এআই শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।”
AI Impact Summit India 2026-এ এক ঐতিহাসিক ঘোষণায় মুকেশ আম্বানি জানান, জিও প্ল্যাটফর্ম আরআইএলের অংশীদারিত্বে আগামী সাত বছরে ভারতের এআই সক্ষমতা বাড়াতে ১০ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আম্বানি জোর দিয়ে বলেন, এই বিনিয়োগ কোনো জল্পনাভিত্তিক নয়। তিনি বলেন, “এটি কোনো ভ্যালুয়েশন কেনা নয়। এটি ধৈর্যশীল, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং জাতি-গঠনের পুঁজি, যা টেকসই অর্থনৈতিক মূল্য সৃষ্টির জন্য পরিকল্পিত।”
আরও পড়ুন- টি-২০ বিশ্বকাপ তো দেখছেন,জাতীয় সঙ্গীতের সময় প্লেয়াররা শিশুদের নিয়ে নামে কেন?তাদের কী বলে?
দেশের দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গির কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “ভারত বুদ্ধিমত্তা ভাড়া করে নিতে পারে না। তাই আমরা যেমন ডেটার খরচ নাটকীয়ভাবে কমিয়েছিলাম, তেমনই বুদ্ধিমত্তার খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনব।” আম্বানি উল্লেখ করেন, বর্তমানে এআই-এর সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা প্রতিভা বা কল্পনাশক্তির অভাব নয়, বরং কম্পিউটিং শক্তির স্বল্পতা ও উচ্চ ব্যয়।
