এদিন ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন গুজরাট অধিনায়ক স্নেহ রানা। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি মুম্বইয়ের। খাতা না খুলেই সাজঘরে ফেরত যান হেইলি ম্যাথিউজ। এরপর ইনিংসের রাশ ধরেন যস্তিকা ভাটিয়া ও ন্যাট স্কিভার ব্রান্ট। দুজনেই বেশ কিছু অনবদ্য শট খেলেন। অর্ধশতরানের পার্টনারশিপও গড়েন ন্যাট স্কিভার ও যস্তিকা ভাটিয়া। ৭৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট পড়ে। ৩৬ রান করেল আউট হন ন্যাট স্কিভার। জুটি ভাঙতেই আউট হন যস্তিকাও। দলের ৮৪ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৪৪ রানে আউট যস্তিকা ভাটিয়া।
advertisement
এরপর একদিক থেকে হরমনপ্রীত কউর দলের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। কিন্তু তাকে কেউ সেভাবে সঙ্গ দিতে পারেননি। ১৯ রান করে আউট হয়ে যান অ্যামেলিয়া কের। তবে নিজের উইকেট বাঁচিয়ে ব্যাটিং চালিয়ে যান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক। একের পর এক মারকাটারি শট খেলেন হরমনপ্রীত কউর। নিজের অর্ধশতরানও পূরণ করেন তিনি। ম্যাচে শেষ ওভারে গিয়ে আউট হন হরমনপ্রীত কউর। ৩০ বলে ৫১ রান করেন তিনি। গুজরাট জায়ান্টসের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন অ্যাশলে গার্ডনার। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ২০ ওভারে ১৬২ রান করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
১৬৩ রানের টার্গেটের বিরুদ্ধে গুজরাট লড়াই দেবে এমনটাই মনে করেছিল ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু কিন্তু প্রথম থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে স্নেহ রানার দল। সোফিয়া ডাঙ্কলে (০), অ্যানালেল সাদারল্যান্ড (০), অ্যাশলে গার্ডনার (৮), দয়ালান হেমলতার (৬) মত তারকারা সকলেই এদিন নিরাশ করেন। ৪৮ রানের মধ্যেই অর্ধেক ব্যাটিং লাইন সাজঘরে ফেরত চলে যায়। ম্যাচের ভাগ্য তখনই নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। কোনও বড় পার্টনারশিপ গড়ে ওঠেনি। ক্রমাগত চলতে থাকে উইকেটের পতন।
আরও পড়ুনঃ এই রেকর্ড নেই সচিন-পন্টিং-লারাদের, বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে বিরাট নজির কোহলির
হারলিন দেওল (২২) ও অধিনায়ক স্নেহ রানা (২০), সুষমা ভার্মা (১৮) কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেও কেউই বড় স্কোর করতে পারেননি। ন্যাট স্কিভার ব্রান্ট, হেইলি ম্যাথিউজ, অ্যামেলি কের, ইসি ওঙ্গদের অনবদ্য বোলিংয়ের সামনে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে গুজরাটের ব্যাটিং। শেষ পর্যন্ত কোও মতে অলআউটের হাত থেকে রক্ষা পায় জায়ান্টসরা। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান করে গুজরাট। সর্বোচ্চ ন্যাট স্কিভার ও হেইলি ম্যাথিউজ ৩টি করে উইকেট পান। ৫৫ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।
