হাজির ছিলেন সিএবির অন্যান্যও কর্তারা। 'ঝুলন দিদি'-কে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির ছিল অনেক খুদে ক্রিকেটারও। ঝুলন বিমানবন্দর থেকে বেরোতেই তাঁকে ফুল, মালা দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। ঝুলন বলেন প্রতিটি ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৭ সালের (৫০ ওভারের) বিশ্বকাপ ফাইনালটা সবথেকে কাছে থাকবে। তারপরে ভারতের জার্সিতে যেদিন অভিষেক হয়েছিল, প্রথমবার যখন টুপিটা পরেছিলাম, মাঠে নেমেছিলাম, সেই ম্যাচটা থাকবে।
advertisement
তারপর থাকবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের শেষ ম্যাচটা। ওই তিনটে ম্যাচ তো থাকবেই। তার মধ্যে অনেকগুলি ম্যাচ আছে, টেস্ট ম্যাচ আছে, যে ম্যাচগুলি টিভিতে সম্প্রচারিত হয়নি। প্রতিটি ম্যাচেরই এক-একটি গুরুত্ব আছে। দল হিসেবে ২০০৫ সালে আমরা সিরিজ জিতেছিলাম ৫-০ ব্যবধানে। ২০২২ সালে ইংল্যান্ডের মাঠে ৩-০ ব্যবধানে জিতলাম। তাই নিজেকে অত্যন্ত ভাগ্যবান মনে হচ্ছে।
ভারতীয় মহিলা বর্তমান দলটার মধ্যে প্রচুর প্রতিভা। প্রত্যেকে পরিশ্রম করতে ভয় পায় না। আমিও ওদের মিস করব। সিএবি আছে। সিএবি নিজের মতো করে চেষ্টা করছে। আমিও সিএবির সঙ্গে নিজের ধারণাগুলো ভাগ করে নিচ্ছি। কিছুটা সময় লাগবে। একদিনে তো আমিও ঝুলন গোস্বামী হইনি।
আশা করব, অনেক প্রতিভাবান মেয়ে আছে। গ্রামেগঞ্জে অনেক প্রতিভাবান মেয়েরা ক্রিকেট খেলছে। বাংলার ক্রিকেটের জন্য আমি সবসময় আছি। মহিলা আইপিএল নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি ঝুলন গোস্বামী। এই প্রসঙ্গে সরকারি ঘোষণা হওয়ার পর যা বলার বলবেন চকদা এক্সপ্রেস। জানালেন দুদিন ঘুম হয়নি। ক্লান্ত। আগে বাড়ি গিয়ে বিশ্রাম নিতে চান। সামনে আপাতত দুর্গাপূজা উপভোগ করতে চান বাংলার মেয়ে।
