আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচে হাসারাঙ্গা ছিলেন শ্রীলঙ্কার অন্যতম বড় অস্ত্র। তিনি খুবই কম রান দেন এবং ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন। তাঁর এই বোলিংয়ের দৌলতে শ্রীলঙ্কা আয়ারল্যান্ডকে ২০ রানে হারাতে সক্ষম হয়। এই ম্যাচে নেওয়া তৃতীয় উইকেটটি ছিল হাসারাঙ্গার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৪০তম উইকেট, যা তাঁর কেরিয়ারের এক বড় মাইলফলক।
এই পারফরম্যান্সের সঙ্গে সঙ্গেই হাসারাঙ্গা ভেঙে দেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অলরাউন্ডার শাহিদ আফ্রিদির রেকর্ড। আফ্রিদি ২০০৭ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ৩৪টি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে ৩৯টি উইকেট নিয়েছিলেন। হাসারাঙ্গা ২০২১ সালে বিশ্বকাপে অভিষেকের পর মাত্র ২০টি ম্যাচ খেলেই ৪০ উইকেট নিয়ে তাঁকে ছাপিয়ে যান এবং সর্বোচ্চ উইকেটশিকারিদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসেন।
advertisement
চলতি বিশ্বকাপে হাসারাঙ্গার সামনে আরও বড় ইতিহাস গড়ার সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির রেকর্ড রয়েছে বাংলাদেশের শাকিব আল হাসানের দখলে, যিনি ৪৩ ম্যাচে ৫০টি উইকেট নিয়েছেন। হাসারাঙ্গা যদি এই টুর্নামেন্টে ধারাবাহিকভাবে ভালো বোলিং চালিয়ে যেতে পারেন, তাহলে তিনি এই রেকর্ড ভাঙার কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারেন।
এছাড়াও হাসারাঙ্গা শ্রীলঙ্কার হয়ে আরেকটি বড় রেকর্ড নিজের নামে করেছেন। তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি বোলার হয়ে উঠেছেন, ভেঙেছেন লাসিথ মালিঙ্গার ৩৮ উইকেটের রেকর্ড। ম্যাচে কুশল মেন্ডিসের ৫৬ ও কামিন্দু মেন্ডিসের ৪৪ রানের সাহায্যে শ্রীলঙ্কা ১৬৩ রান তোলে। জবাবে আয়ারল্যান্ড ১৪৩ রানে অলআউট হয়। জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে শ্রীলঙ্কা এখন আত্মবিশ্বাসী, পরের ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ওমান।
