দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চালিয়ে খেলতে শুরু করেছিল ভারত। কিন্তু, ১৬ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন যশস্বী জয়সওয়াল। এরপরেই ক্রিজে নিজেদের ক্রিকেটীয় দক্ষতা দেখাতে শুরু করেন রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলি। এই জুটিকে ‘রোকো’ নামেও ডাকা হয়। আর এই রোকোর জুটির সামনেই একটা সময় অসহায় দেখাচ্ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের।
advertisement
অসমান্য ক্রিকেটীয় দক্ষতায় ভারতকে ১০০-এর গণ্ডি পার করায় এই জুটি। এরপরেও চালিয়ে খেলতে থাকেন রোহিত এবং বিরাট।
কিন্তু, ২১ তম ওভারে মার্কো জেনসেনের বল বুঝতে পারেননি রোহিত। সরাসরি বল এসে তাঁর প্যাডে লাগে। আম্পায়ার আউট দেন। তিনি আর রিভিউ নেননি। ১৩২ রানের মাথায় ভেঙে যায় এই অসামান্য জুটি।
বহুদিন বাদে ভারতের একদিনের দলে সুযোগ পেয়েছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় কিন্তু, বার্টম্যানের বলে ব্রেভিসের হাতে ক্যাচ জমা দিয়ে মাত্র ৮ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। কিছুক্ষণ ব্যাট করে আবার সেই বার্টম্যানের বলেই বসের হাতে ক্যাচ জমা দিয়ে ৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন ওয়াশিংটন সুন্দরও।
কিন্তু, ক্রিজের অপরপ্রান্তে ক্রমেই নিজের শতরানের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন কিং কোহলি। তারপরে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ৮৩ তম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি নিজের নামে করে নেন বিরাট। রাঁচিতে তখন বিকেল নেমে আসছে। আর সেই সোনালি হয়ে আসা স্টেডিয়ামে ধ্বনিত হচ্ছে ‘বিরাট’ ‘বিরাট’ রব।
কোহলির এই ঝকঝকে শতরান আর রোহিতের মারকুটে ব্যাটিংয়ের পরে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মনে প্রশ্ন অভিজ্ঞতার দাম যে গুরুত্বপূর্ণ তা কি বুঝলেন কোচ গম্ভীর?
