বিদিশা রায় এবং পিউ রায়কে এই দুই জন কম্পাউন্ড রাউন্ডে অংশগ্রহণ করে। ফাইনাল রাউন্ডে উঠে টিম ইভেন্টে রৌপ্য পদক জেতে তারা।
বাংলার কোচদের ভূমিকা ও সঠিক প্রশিক্ষণের ফলেই বার বার জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সাফল্য আসছে বলে দাবি তিরন্দাজি অ্যাকাডেমির কর্তাদের। বর্তমানে সুরজিৎ দাস, সৌভিক দে এবং কৃতি কুর্মি রয়েছেন কোচের ভূমিকায়। শুধু এবারেই নয় জাতীয় স্তরে ধারাবাহিক ভাবে ভাল ফল করছেন বাংলার তীরন্দাজরা। ঝাড়গ্রামের বেঙ্গল আর্চারি অ্যাকাডেমির প্রতিযোগী ও প্রশিক্ষকদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আকাঙ্ক্ষা ভাস্করও। তিনি বলেন, এই গর্ব শুধু ঝাড়গ্রামের নয় গোটা বাংলার।
advertisement
বাংলার কোচ সুরজিৎ দাস বলেন, ফের আমরা দেশীয় মঞ্চে সফলতা পেলাম, আগামী দিনে আমরা এভাবেই প্রশিক্ষণ দিয়ে যাবো যাতে বাংলার মান সর্বোচ্চ স্তরে উন্নীত হয়।
রাজ্যে প্রথম এই অ্যাকাডেমি তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঝাড়গ্রামের ঘোড়াধরা স্টেডিয়ামের পাশের জমিতে এই অ্যাকাডেমি গড়ে উঠেছে প্রতিভাবান তিরন্দাজদের জন্য। জঙ্গলমহলের বাসিন্দাদের অনেকেই যেহেতু তির ধনুক চালানোয় দক্ষ, তাই তাঁদের সেই দক্ষতার কথা মাথায় রেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই অ্যাকাডেমি গড়ার নির্দেশ দেন। অ্যাকাডেমি শুরুর পর থেকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে একাধিক প্রতিয়গী নজর কেড়েছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সোনা, রুপো, ব্রোঞ্জ জিতেছে এই অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণাধীন তিরন্দাজরা৷
