এই পরিস্থিতিতে দলের নেতৃত্বে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, উইকেটকিপার-ব্যাটার ইশান কিশানই আপাতত অধিনায়কত্বের দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে। সাম্প্রতিক টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার দারুণ পারফরম্যান্স এবং আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং তাকে এই দায়িত্বের জন্য যোগ্য করে তুলেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজির ম্যানেজমেন্টও মনে করছে, কামিন্সের অনুপস্থিতিতে ইশান দলকে সফলভাবে নেতৃত্ব দিতে পারবেন।
কামিন্সের অনুপস্থিতির মূল কারণ তার দীর্ঘদিনের চোট। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে তিনি পিঠের সমস্যায় ভুগছেন। ডিসেম্বর মাসে অ্যাশেজ সিরিজে একটি ম্যাচ খেললেও, এরপর আর মাঠে নামেননি। এমনকি ২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেও তিনি বাইরে ছিলেন। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এখনও তাকে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরার অনুমতি দেয়নি। যদিও দলে অভিষেক শর্মার মতো বিকল্প অধিনায়ক রয়েছেন, তবুও ইশানই ম্যানেজমেন্টের প্রথম পছন্দ।
advertisement
ইশান কিশানের নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতকে ফাইনালে তুলেছিলেন এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝাড়খণ্ড দলের হয়ে বহু ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার অধিনায়কত্বে ঝাড়খণ্ড প্রথমবার সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফি জেতে। টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটে তার জয়ের হারও বেশ ভালো। তাই আইপিএল ২০২৬-এ তিনি যদি হায়দরাবাদের নেতৃত্ব পান, তাহলে তা মোটেও অপ্রত্যাশিত হবে না।
