এবার সত্যিকারের ‘মরণ-বাঁচন’ লড়াইয়ের পালা। এক হারেই শেষ হয়ে যাবে বিশ্বকাপ অভিযান। আর একটা জয় সরাসরি নিয়ে যাবে ফাইনালে। প্রথম সেমিফাইনাল ৪ মার্চ নিউজিল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে, আর দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ৫ মার্চ ইংল্যান্ড বনাম ভারতের মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে।
আইসিসি নকআউট ম্যাচগুলোর জন্য কিছু আকর্ষণীয় নিয়ম তৈরি করেছে, যাতে যে কোনও পরিস্থিতিতেই ম্যাচ সম্পূর্ণ করা যায়। এই নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনো কারণে প্ল্যান A ভেস্তে যায়, তাহলে কার্যকর হবে প্ল্যান B।
advertisement
প্ল্যান B অনুযায়ী, ক্রিকেটভক্তরা একই দিনে দুটি ব্লকবাস্টার সেমিফাইনাল ম্যাচ দেখতে পারেন। সেই দিনটি হল ৫ মার্চ। এবার জেনে নেওয়া যাক, বৃষ্টির বাধা এবং ‘রিজার্ভ ডে’-র সমীকরণের মধ্যে কীভাবে ৫ মার্চ দিনটি দর্শকদের জন্য বিশেষ হয়ে উঠতে পারে।
আসলে ৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা প্রথম সেমিফাইনাল। সেটি যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায়, তা হলে ম্যাচ রিজার্ভ ডে অর্থাৎ ৫ মার্চে সরিয়ে নেওয়া হবে। ৫ মার্চ ভারত বনাম ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় সেমিফাইনাল আগেই নির্ধারিত রয়েছে। যদি সেটিও বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়, তবে তা পরের দিন অর্থাৎ ৬ মার্চ রিজার্ভ ডে-তে অনুষ্ঠিত হবে। তবে যদি দ্বিতীয় সেমিফাইনাল বৃষ্টির কারণে বাতিল না হয়, তা হলে ৫ মার্চ একই দিনে দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে, যদিও সময় আলাদা থাকবে।
আরও পড়ুন- সেমিফাইনালে ভারতের সামনে ইংল্যান্ড! ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলে ফাইনালে উঠবে কোন দল?
রিজার্ভ ডে হিসেবে ৫ মার্চ প্রথম সেমিফাইনাল শুরু হবে দুপুর ৩টে থেকে। এর পর একই দিনে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ভারত বনাম ইংল্যান্ড সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুরু হবে। এভাবে একদিনেই দর্শকরা দুটি ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন।
ধরে নেওয়া যাক, দুই সেমিফাইনালই যদি রিজার্ভ ডে-তেও সম্পূর্ণ করা সম্ভব না হয়, তাহলে কী হবে? ফাইনালের টিকিট কে পাবে প্রথমত, আইসিসির সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে যেন দুই দলের অন্তত ৫ ওভার করে খেলা সম্পন্ন হয়, যাতে ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করা যায়। কিন্তু ম্যাচের দিন এবং রিজার্ভ ডেতেও যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে গ্রুপ স্টেজ (সুপার ৮)-এ যে দল নিজের গ্রুপে শীর্ষে ছিল, তাদেরকেই বিজয়ী ঘোষণা করে ফাইনালে পাঠানো হবে। এই পরিস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ড ফাইনাল খেলবে, আর ভারত ও নিউজিল্যান্ডের অভিযান শেষ হয়ে যাবে।
