এমন একটি ম্যাচে দলের এই রকম পারফরম্যান্স যেকোনো বিশ্বমানের দলকেও প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। ১৯৬ রান তাড়া করতে নেমে ভারতীয় দলের নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে। অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষাণ আউট হওয়ার পর প্রেডিকশন টেবিল অনুমান করতে শুরু করেছিল, ভারতের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ২৭ শতাংশ, আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের সম্ভাবনা ৭৩ শতাংশ।
advertisement
এই ম্যাচ ছাড়া ধরলেও বিশ্বকাপের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত এক-দুই ম্যাচ বাদ দিলে বেশিরভাগ ম্যাচেই একই অবস্থা দেখা গেছে টিম ইন্ডিয়ার। ভারতীয় দল ম্যাচ জিতলেও কোন ম্যাচেই দলগত প্রচেষ্টা পুরোপুরি চোখে পড়েনি। জয়ের হিরো কেবল এক বা দুজন খেলোয়াড়ই হয়েছেন।
এই ম্যাচে ভারত ২৯ রানে জয়ী হয়েছে। শুরু থেকেই দলের পারফরম্যান্স বেশ দুর্বল ছিল। প্রথম পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগে ১৪১ রানে ৪ উইকেট পড়ে যায়। তার পর সঞ্জু দুর্দান্ত ইনিংস না খেললে এদিনও ভারতের জয় প্রায় অসম্ভব দেখাচ্ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সঞ্জুর একার দাপটে টিম ইন্ডিয়া ম্যাচ জেতে।
আরও পড়ুন- দুঃসময়ের সঙ্গী স্ত্রীকে সাফল্যের পরেই প্রথম ভিডিও কল, সঞ্জুকে নিয়ে গম্ভীরের বড় পাল্টি
এবার সেমিফাইনালে ভারতের লড়াই ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। ফলে অনেকেই বলছেন, বড় ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের এই সমস্যা এখন বড় আকার ধারণ করেছে।
