অন্যদিকে, ভারতের ব্যাটিং লাইন-আপ বিশ্বের যে কোনও দলের চেয়ে শক্তিশালী ছিল, যার মধ্যে ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর, রাহুল দ্রাবিড়, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, মহম্মদ আজহারুদ্দিন এবং পরবর্তীতে ভিভিএস লক্ষ্মণ ও বীরেন্দ্র শেহওয়াগরা।
ভারত ও পাকিস্তান, দুই দলের মধ্যে সেই সময় ম্যাচগুলো কখনও একপেশে হত না। যদিও ভারতীয় দল এখনও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওডিআই বিশ্বকাপে সব জয়ের রেকর্ড বজায় রেখেছে। তবে সেসব দিন এখন অতীত। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান টিম বারবার ভারতীয় দলের সামনে পড়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে।
advertisement
শোয়েব আখতার আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি ১৯৯৮-৯৯ সালে পাকিস্তানের ভারত সফরের সময় রাহুল দ্রাবিড় এবং সচিন তেন্ডুলকরকে ধারাবাহিক দুটি বলে ক্লিন বোল্ড করেছিলেন, কলকাতার ইডেনে। এবার একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, আখতার খোলাখুলি বলছেন, কীভাবে তিনি এবং সাকলাইন মুস্তাক হাঁটুর ব্যথা কমাতে ও ভারতের বিপক্ষে খেলার জন্য “পিলস এবং ইনজেকশন” ব্যবহার করতেন!
আখতার বলছেন, “যখন সাকলাইন ১০টির বেশি উইকেট নিত—চেন্নাই এবং দিল্লিতেও, আমরা সাচিনের উইকেট নিয়ে বাজি ধরতাম। ও বলত সাচিনকে আউট করবে। আমি বলতাম, ‘না, এবার আমি করব, এবার আমার পালা’, এটাই আমরা করতাম।”
আরও পড়ুন- নেট রান রেট…! ব্যাপারটা আসলে কী? এই একটা কারণে ভারত ছিটকে যাবে বিশ্বকাপ থেকে!
আখতার আরও বলেন, ”আমার হাঁটু ফুলে গিয়েছিল, কারণ ওখানে তরল জমে ছিল। সাকলাইনের হাঁটু তো ১৯৯৬ সাল থেকে ওকে কষ্ট দেয়। আর আমারটা ১৯৯৭ সাল থেকে সমস্যায় ফেলতে শুরু করেছিল। তখন আমরা দুজনই গোপনে পিলস এবং ইনজেকশন ব্যবহার করতাম, শুধু ম্যাচ খেলার জন্য। যদি কোনও সিনিয়র এটা জানত, ওরা আমাদের নিশ্চয়ই বাদ দিত। আমি যে কোনও পরিস্থিতিতেই ওদের টার্গেট ছিলাম।”
রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে, বর্তমানে ভারত এবং পাকিস্তান এখন শুধুমাত্র আইসিসি ইভেন্টে মুখোমুখি হয়। উল্লেখ্য, গত বছরের সেপ্টেম্বরে ভারত এশিয়া কাপের তিনটি ম্যাচেই পাকিস্তানকে হারিয়েছে, যার মধ্যে ছিল ফাইনালও। এবছর ১৫ ফেব্রুয়ারি, টি২০ বিশ্বকাপের ম্যাচে ভারত আবারও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ম্য়াচ জিতেছে।
