জবাব দিতে ছাড়েননি মেহেদিও। তাঁর সাফ বক্তব্য, “সলমন ক্রিজ থেকে দূরে ছিলেন। আমি শুধু বল দেখছিলাম। আমি যদি ফিল্ডিং মিস করতাম, তাহলে তো সলমন অবশ্যই রান নেওয়ার চেষ্টা করতেন। আমি ব্যাপারটাকে ওভাবেই দেখেছি।”
advertisement
পাকিস্তানের ইনিংসের ৩৯তম ওভারে ঘটনাটি ঘটে। নন-স্ট্রাইকারের ক্রিজ থেকে বেরিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন সলমন। মেহেদি পা দিয়ে বল আটকাতে যান। তখন সলমনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় তাঁর। সলমন ভেবেছিলেন বলটি ‘ডেড’ হয়ে গিয়েছে। তিনি হাত দিয়ে বলটি তুলতে যান। তার আগেই মেহেদি বলটি তুলে নিয়ে উইকেট ভেঙে দেন এবং আম্পায়ারের কাছে রান আউটের আবেদন করেন। মেহেদির আচরণে অবাক হয়ে যান সলমন। তৃতীয় আম্পায়ার তাঁকে আউট দেওয়ার পর উল্টো দিক থেকে প্রতিবাদ করতে করতে এগিয়ে আসেন রিজওয়ান। তাঁর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন লিটন দাস। আম্পায়ারেরা এসে এরপর দু’জনকে সরিয়ে দেন।
বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, মেহেদি হাসান মিরাজ স্রেফ নিয়মের সুযোগ নিয়েছেন। এখানে অন্যায়ের কিছু নেই। তবে অন্য অংশ মনে করছে, রান-আউটের এই ধরণের প্রয়াস ক্রিকেটের স্পিরিটকেই নষ্ট করে। এর আগে ‘মানকাডিং’ বা নন-স্ট্রাইকার এন্ডে রান-আউট নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এবার সলমনের এই ঘটনাটি সেই বিতর্ককেই নতুন মাত্রা দিল।
