সূত্র অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট শাম্মি সিলভা, ইউএই ক্রিকেট বোর্ড এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর বিশেষ অনুরোধে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে রাজি হয়েছে। জানা গেছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে পিসিবি সভাপতি মোহসিন নকভির সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে বৈঠক করছেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO)-এর শীর্ষ সূত্র জানাচ্ছে, দেশের ক্রিকেট বোর্ড তাদের দাবিগুলির বিষয়ে আইসিসির কাছ থেকে আশ্বাস পেয়েছে। এর আগে পিসিবি সভাপতি মহসিন নকভি কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেছিলেন, যার মধ্যে ছিল ভারত-পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় ক্রিকেট পুনরায় শুরু করা এবং বাংলাদেশের অংশগ্রহণে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন।
advertisement
এই দাবিগুলোর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল, বিশ্ব ইভেন্ট থেকে তাদের আকস্মিক বিদায়ের পর সেই ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে দেওয়া।
ভারত–পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট আইসিসির আওতার মধ্যে না পড়লেও ত্রিদেশীয় সিরিজের দাবি সরাসরি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। ভারত গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কোনও ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট খেলেনি। তবে আইসিসি আগামী অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আয়োজনের দায়ভার বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে।
এর আগে মহসিন নকভি বলেছিলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ভারত–পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বয়কট করা হবে কি না, সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। কারণ আইসিসির সঙ্গে আলোচনা এখনও চলছে।
আরও পড়ুন- বিশ্বকাপ জিততেই ‘দাম’ দিল বিসিসিআই! বাংলার মেয়ে রিচা ঘোষ বোর্ডের বি গ্রেড চুক্তিতে
তিনি জানান, এই আলোচনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান আমিনুল ইসলাম বুলবুলও যুক্ত রয়েছেন এবং পিসিবি তাদের তোলা একাধিক ইস্যুতে প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। নকভি বলেছেন, “আমরা ওদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। এই মুহূর্তে আমার পক্ষে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না। ওদের জবাব পাওয়ার পরই আমরা সিদ্ধান্ত নেব। আইসিসির উত্তর পাওয়ার পর আমরা প্রধানমন্ত্রীর (শাহবাজ শরিফ) কাছে পরামর্শ নিতে ফিরে যাব।” তিনি আরও যোগ করেন, “আগামীকাল অথবা পরশু এ বিষয়ে একটি ঘোষণা আসবে।”
