এবার কর্তৃপক্ষ তাকে প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসার জন্য আল-শিফা আই ট্রাস্ট হাসপাতালে স্থানান্তরের কথা বিবেচনা করছে। হাসপাতালটি পাকিস্তানের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চক্ষু সেবা প্রতিষ্ঠান এবং আইলিয়া ইনজেকশনের মতো বিশেষায়িত রেটিনা চিকিৎসার জন্য প্রসিদ্ধ, যা সাধারণত রেটিনা ফোলা বা বয়স-সম্পর্কিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের জন্য নির্ধারিত হয়। ইমরান খান কত সময়ের জন্যে ভর্তি থাকবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়, কারণ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কারা কর্তৃপক্ষ এবং তার মেডিকেল টিমের মধ্যে পরামর্শের উপর নির্ভর করবে।
advertisement
সূত্র আরও জানাচ্ছে যে, সম্ভাব্য হাসপাতালে থাকার সময়, খানকে নির্বাচিত গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীদের পাশাপাশি তার স্ত্রী বুশরা বিবির সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে, যিনি বর্তমানে আইনি ঝামেলার সম্মুখীন। যদিও এই ধরনের সাক্ষাতের বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ জারি করা হয়নি, তবে সম্ভাবনা ইঙ্গিত দেয় যে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা হবে, অন্তত চিকিৎসার কারণে।
চোখের ইনজেকশনের পাশাপাশি, সরকার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর জন্য একটি বিস্তৃত চিকিৎসা মূল্যায়নের পরিকল্পনা করছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে এমআরআই স্ক্যান, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, হৃদরোগের মূল্যায়ন এবং ব্যাপক রক্ত পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কর্মকর্তারা খানের দল থেকে চলমান জল্পনা এবং সমালোচনা মোকাবিলায় একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পর্যালোচনা পরিচালনা করতে আগ্রহী বলে জানা গেছে, যা বারবার হেফাজতে থাকাকালীন তার চিকিৎসার অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
২০২২ সালে ক্ষমতা থেকে অপসারণের পর থেকে একাধিক আইনি মামলায় জড়িয়ে পড়া খান পাকিস্তানের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একজন কেন্দ্রীয় এবং মেরুকরণকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে রয়ে গেছেন। তার দল, পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রায়শই অভিযোগ করে যে তার স্বাস্থ্যের চাহিদা পর্যাপ্তভাবে পূরণ করা হচ্ছে না, কর্তৃপক্ষ এই দাবি অস্বীকার করে।
কর্মকর্তারা বলছেন যে যেকোনো সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে চিকিৎসা পরামর্শের ভিত্তিতেই নেওয়া হবে, এবং আগামী দিনগুলিতে খানের চিকিৎসার সময়কাল এবং সুযোগ নির্ধারণ করবেন চিকিৎসকরা।
