মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র - ১
#দোহা: নকআউটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাধা পেরোতে মরিয়া ছিল নেদারল্যান্ডস। লুইস ভ্য়ান গাল বিশ্বকাপের আগে ফের দায়িত্ব নিয়েছেন ডাচদের। পুনরায় দায়িত্বে ফেরার পর এখনও অবধি অনবদ্য পারফরম্যান্স নেদারল্যান্ডসের। প্রস্টেট ক্য়ান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই লড়াইয়ে জিতেছেন। অবসর ভেঙে কোচিংয়ে ফিরেছেন।
প্রবীণ কোচ নিজের এই লড়াকু মানসিকতায় ঢুকিয়েছেন ডাচ ফুটবলারদের মধ্যে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোচ গ্রেগ বারহল্টার জানিয়েছিলেন, আমাদের কাছে দারুণ সুযোগ। তবে এটাকে আমরা কোনও গর্ব হিসেবে দেখছি না। যোগ্য দল হিসেবেই এই জায়গায় এসেছি, এখান থেকে আরও এগিয়ে যেতে চাই। এই ম্যাচ খেলেই আমরা দেশে ফেরার বিমান ধরতে চাই না।
advertisement
গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ড ম্যাচটায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারফরম্য়ান্স অনবদ্য ছিল। ম্যাচের ১০ মিনিটেই মেম্ফিস ডিপাইয়ের গোলে এগিয়ে গেল নেদারল্যান্ডস। ডামফ্রিজের ক্রস থেকে চলতি বল জালে পাঠাতে ভুল করেনি ডিপে। কিন্তু নেদারল্যান্ডস এগিয়ে গেলেও চেষ্টা ছাড়েনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পাল্লা দিয়ে লড়াই করতে থাকেন দেস্ট, ম্যাকনেনি, উইয়ারা।
রবিনসন এবং পুলিসিচ বল পেলেই চাপ তৈরি করছিলেন। কিন্তু ডাচ ডিফেন্স ভ্যান ডাইকের নেতৃত্বে সেভাবে ভুল করছিল না। একে যোগ্য সহায়তা দিচ্ছিলেন ডিফেন্সে। বিরতির এক মিনিট আগে ব্যবধান বাড়িয়ে নিল নেদারল্যান্ডস। এবার গোলদাতা ব্লিন্ড। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই একটি বদলে নিয়ে নিল নেদারল্যান্ড। ক্লাসেনকে তুলে নিয়ে এলেন বর্গউইন।
ডাচ মাঝমাঠে দুর্দান্তভাবে ব্লকিং করে গেলেন কূপমিনার্স এবং ডি ইয়ং। আমেরিকার গোলরক্ষক অসাধারণ না খেললে ব্যবধান আরো বাড়তে পারত ডাচদের। তবে যোগ্য দল হিসেবে প্রথম নকআউট জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল পৌঁছে গেল নেদারল্যান্ডস।
অধরা বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার আসে কিনা সেটা অবশ্যই সময় বলবে।৭৬ মিনিটে অবশ্য এক গোলের ব্যবধান কমিয়ে ছিল আমেরিকা। পুলিসিচের ক্রস ফ্লিক করে গোল করেন রাইট। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। ৮০ মিনিটে ব্লিন্ড ক্রস করলে পেছন থেকে এসে ডামফ্রিস ৩-১ করে দিলেন।
