৩০ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার-ব্যাটার শুরুতে কিছুটা সতর্ক থাকলেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নেন। প্রথম ৬ বলে মাত্র ৬ রান করলেও তৃতীয় ওভারে মিলিন্দ কুমারের বিরুদ্ধে টানা দুটি চার মারেন। এরপর অষ্টম ওভারে একই বোলারের বিরুদ্ধে ২০ রান তুলে নেন। ২৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন জগদীশন এবং পরবর্তী ২২ বলে শতরান সম্পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত তিনি ৫৫ বলে ১০৪ রান করে আউট হন, যেখানে ছিল ১১টি চার ও ১০টি ছয়।
advertisement
জগদীশনের এই বিস্ফোরক ইনিংসের ওপর ভর করে ইন্ডিয়া এ নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেটে ২৩৮ রানের বিশাল স্কোর দাঁড় করায়। মাঝের ওভারে আয়ুষ বাদোনি ২৬ বলে ৬০ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তিলক বর্মাও গুরুত্বপূর্ণ ৩৮ রানের অবদান রাখেন। সম্মিলিত ব্যাটিং পারফরম্যান্সে মার্কিন বোলাররা পুরোপুরি চাপে পড়ে যায়।
যদিও এখনও পর্যন্ত ভারতের জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক হয়নি নারায়ণ জগদীশনের, তবুও ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে তাঁর পারফরম্যান্স বরাবরই নজরকাড়া। তিনি কেকেআর ও সিএসকে-র হয়ে আইপিএল খেলেছেন এবং লিস্ট এ ক্রিকেটে ২৭৭ রানের ঐতিহাসিক ইনিংসের রেকর্ড তাঁর নামেই রয়েছে। সম্প্রতি শেষ হওয়া বিজয় হাজারে ট্রফিতেও ধারাবাহিকভাবে রান করেছেন তিনি। এই শতরান নিঃসন্দেহে তাঁর আন্তর্জাতিক দলে সুযোগ পাওয়ার দাবিকে আরও জোরালো করল।
