তিনি বলেন, “আমার এই মন্তব্যকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুল দিকে যাওয়া হয়েছে, যা সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। আমি কোনওভাবেই যুব ফুটবল, ফুটবল সংস্কৃতি বা ফুটবল ফ্র্যাটার্নিটির বিরুদ্ধে নই। আমি একজন বক্সার হলেও ফুটবলকে মন থেকে ভালবাসি এবং নিজেও ফুটবল খেলতে পছন্দ করি। আমার মন্তব্য কোনও খেলাধুলা বা খেলোয়াড়দের উদ্দেশে ছিল না। সবাই গলি থেকেই শুরু করে—আর যারা কঠোর পরিশ্রম করে, ঘাম ঝরিয়ে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়, তারাই সুনীল ছেত্রী বা বাইচুং ভুটিয়ার মতো হয়ে ওঠে। এটাই আমরা বোঝাতে চেয়েছিলাম। আমার প্রাক্তন স্বামী বলেছিলেন, তিনি নিজের ফুটবল কেরিয়ার ত্যাগ করেছেন। তিনি শিলংয়ে ফুটবল খেলতেন, কিন্তু ফুটবল ছেড়ে দেওয়ার পরে দিল্লিতে আমাদের দেখা হয়।”
রিংয়ের ভেতরে ও বাইরে সংযমের জন্য পরিচিত এই পদকজয়ী ক্রীড়াবিদ বিতর্কিত মন্তব্যগুলোর বিষয়ে স্পষ্ট কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ওই মন্তব্যগুলো দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা আবেগ, স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি এবং ব্যক্তিগত সমস্যার ফল।
মেরি কম আরও জানান, তাঁর ওই মন্তব্যগুলোর উদ্দেশ্য কোনোভাবেই সামগ্রিকভাবে পুরুষ সমাজকে আঘাত করা ছিল না। ‘আপ কি আদালত’-এর একটি আবেগঘন পর্বে মেরি কম যখন তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলেন, তখনই এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সেই অনুষ্ঠানে তাঁর স্বামীর উদ্দেশে বলা “এক টাকাও উপার্জন করেনি” মন্তব্যটি ভাইরাল হয়ে যায়, যা অনেকের মতে তাঁর প্রাক্তন সঙ্গীর কেরিয়ার ও অবদানকে খাটো করে দেখানোর ইঙ্গিত বহন করেছিল।
advertisement
নিজেদের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে মেরি জোর দিয়ে বলেন, তাঁদের বিয়েটা সব সময় ব্যর্থ ছিল এমন নয়। তিনি জানান, স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পরও তিনি দীর্ঘদিন মর্যাদা ও সংযম বজায় রেখে নীরব ছিলেন।
তিনি বলেন, “আমি এটা পরিষ্কার করতে চাই যে আমার বিয়ে কখনও সফলই ছিল না এমনটা নয়। বহু বছর সব কিছু ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু পরে যখন বিশ্বাস পুরোপুরি ভেঙে যায়, তখন পরিস্থিতি বদলে যায়। তা সত্ত্বেও আমি এটা জানাতে চাই যে আমার ডিভোর্সের পরে এপ্রিল ২০২৫-এ আমার বিরুদ্ধে যে প্রেস রিলিজ ছড়ানো হয়েছিল, তার পরেও আমি কখনও প্রকাশ্যে বা মিডিয়ায় কোনও বক্তব্য রাখিনি। আমি সব সময় মর্যাদা ও সংযমের সঙ্গে নিজেকে পরিচালিত করেছি।”
আরও পড়ুন- টি-২০ বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট পাকিস্তানের! এবার বড় স্টেটমেন্ট দিল বিসিসিআই!
