( সিভেরিও )
ইস্টবেঙ্গল - ০
#কলকাতা: শেষ কয়েকটা বছর ধরে ব্যর্থতাই একমাত্র সম্বল ইস্টবেঙ্গল দলের কাছে। মাঠের কারনে যতটা, তার চেয়ে বেশি ব্যর্থ হওয়ার কারণ মাঠের বাইরের। এবারও সেই ছবি বদলাবে না ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল প্রথম থেকে। শেষ কয়েকটা ম্যাচ এগিয়ে গিয়েও হারতে হয়েছে। জামশেদপুরের বিরুদ্ধেও শেষ ম্যাচ হার। সেখানে আজকের প্রতিপক্ষ হায়দারাবাদ অনেক কঠিন দল জানা ছিল।
advertisement
টুর্নামেন্টের অন্যতম ধারাবাহিক দল তারা। নিজেদের ঘরের মাঠে প্রথম সাক্ষাতে ইস্টবেঙ্গলকে ২-০ হারিয়েছিল তারা। কিন্তু আজ কলকাতায় ইস্টবেঙ্গল প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মরিয়া হবে সেটাই ছিল স্বাভাবিক। কিন্তু এই ইস্টবেঙ্গল চেষ্টা করে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু ক্ষমতা কম। অনেকটা এগারো হাত শাড়ির মত। পা ঢাকতে গেলে মাথা বেরিয়ে যায়।
ম্যাচের বয়স সবে নয় মিনিট। বাঁদিক থেকে বরহার ক্রসে হেডে গোল করে হায়দারাবাদকে এগিয়ে দিলেন সিভেরিও। হেড রাখলেন সেকেন্ড পোস্টে। কিছুই করার ছিল না ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষকের। এরপর রোহিত এবং হিতেশ শর্মা সহজ সুযোগ না হারালে ব্যবধান বাড়িয়ে নিতে পারত ম্যানুয়াল মারকুজের দল। ইস্টবেঙ্গল অবশ্যই দ্বিতীয় আর্ধে গোল শোধ করার মরিয়া চেষ্টা করল।
বেশ কিছু আক্রমণ তুলে আনল তারা। কিন্তু ফিনিশিং করতে পারছিল না তারা। বিশেষ করে মহেশ এবং সিলভার কম্বিনেশন অন্য দিন যতটা কাজ করে, আজ সেটা হচ্ছিল না। ক্লেটন দুবার সুযোগ পেয়ে বল জালে রাখতে পারলেন না। এমন সুযোগ তিনি হারালেন যা তার পক্ষে বেমানান। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক মিনিট আগে কিয়ানাসি ওপেন হেডার মিস না করলে ইস্টবেঙ্গলের লজ্জা বাড়তেই পারত।
তবে হায়দারাবাদ দলের নাইজেরিয়ান সুপারস্টার ওগবেচে এদিন বিশেষ কিছু করতে পারেনি। ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স আজ পরে নেমেছিলেন ইভান গঞ্জালেস। তবে মিজোরামের ছেলে চুঙ্গনুঙ্গা এদিনও অনবদ্য লড়াই করলেন লাল হলুদ ডিফেন্সে। তিনি প্রতি ম্যাচে নিজেকে ছাপিয়ে যাচ্ছেন।
ইস্টবেঙ্গলের সূহের আগের ছন্দ হারিয়েছেন। দিনের শেষে আবার একটা হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হল মশাল বাহিনীকে। সেই ব্যর্থতা আর পরিবর্তন হল না। খেলা শেষ হওয়ার দু মিনিট আগে হায়দারাবাদ জার্সিতে ব্যবধান বাড়ালেন আরণ ডি সিলভা। সার্থককে কাটিয়ে নিয়ে কমলজিতকে পরাস্ত করলেন তিনি।
